উত্তরঃ কোন শ্রমিক এর অবসর গ্রহনের ফলে সুবিধা বা ক্ষতিপূরন প্রাপ্তির ক্ষেত্রে শ্রম আইন ও ইপিজেড আইন এ ভিন্নতা রয়েছে।
বাংলাদেশ শ্রম আইন অনুযায়ী
বাংলাদেশ শ্রম আইন অনুযায়ী শ্রমিকের চাকুরী বয়স একই প্রতিষ্ঠানে নিরবিচ্ছিন্নভাবে ২৫ বছর হউক বা তাহার বয়স ৬০ (ষাট) বৎসর পূর্ণ হইলে তিনি চাকুরী হইতে স্বাভাবিক অবসর গ্রহণ করিলে একই হারে অর্থাৎ শ্রম আইনের ধারা ২৮ (৩) এর অনুসারে ধারা ২৬(৪) অনুযায়ী ,
কোন স্থায়ী শ্রমিকের চাকুরীর অবসান করা হয় সেক্ষেত্রে, মালিক শ্রমিককে তাহার প্রত্যেক সম্পূর্ণ বৎসরের চাকুরীর জন্য ক্ষতিপূরণ হিসাবে ত্রিশ দিনের মজুরী, অথবা গ্রাচ্যুইটি, যদি প্রদেয় হয়, যাহা অধিক হইবে, প্রদান করিবেন এবং এই ক্ষতিপূরণ এই আইনের অধীন শ্রমিককে প্রদেয় অন্যান্য সুবিধার অতিরিক্ত হইবে।
ইপিজেড আইন অনুযায়ী
ইপিজেড আইন এর ধারা ২৪(৩) অনুযায়ী,
কোনো স্থায়ী শ্রমিক চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করিলে, মালিক, অবসর গ্রহণকারী শ্রমিককে তাহার প্রত্যেক সম্পূর্ণ বৎসরের চাকরির জন্য ক্ষতিপূরণ হিসাবে ৪৫ (পঁয়তাল্লিশ) দিনের মূল মজুরি প্রদান করিবেন এবং এই ক্ষতিপূরণ এই আইনের অধীন শ্রমিককে প্রদেয় অন্যান্য সুবিধার অতিরিক্ত হইবে অথবা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব চাকরি বিধি অনুযায়ী অবসর গ্রহণকারী শ্রমিকের প্রাপ্ত পাওনাদি পরিশোধ করিতে হইবে।
তবে, ইপিজেড বিধি ২৮ অনুযায়ী,
কোনো শ্রমিক ২৫ (পঁচিশ) বৎসরের নিম্নে চাকরি করিয়া অবসরজনিত বয়স ৬০ (ষাট) বৎসর পূর্ণ করিলে, সংশ্লিষ্ট শ্রমিক তাহার প্রতি বৎসর চাকরির জন্য ৩০ (ত্রিশ) দিনের মজুরি প্রাপ্ত হইবেন।
অর্থ্যাৎ শুধুমাত্র ইপিজেড এ নিযুক্ত শ্রমিকগন ২৫ (পঁচিশ) বৎসর চাকুরী করিয়া অবসর গ্রহন করিলে প্রতি বছরের জন্য ৪৫ (পঁয়তাল্লিশ) দিনের মূল মজুরি পাইবেন অন্যাথায় সকল শ্রমিক প্রতি বৎসর চাকরির জন্য ৩০ (ত্রিশ) দিনের মজুরি প্রাপ্ত হইবেন।