উত্তরঃ বাংলাদেশ শ্রম আইন এর ধারা ১৯ এবং ইপিজেড আইন এর ধারা ১৮ অনুযায়ী ,
যদি কোন শ্রমিক কোন মালিকের অধীন অবিচ্ছিন্নভাবে অন্ততঃ ১ (এক) বৎসরের অধিককাল চাকুরীরত থাকা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন, তাহা হইলে মালিক মৃত শ্রমিকের কোন মনোনীত ব্যক্তি বা মনোনীত ব্যক্তির অবর্তমানে তাহার কোন পোষ্যকে তাহার প্রত্যেক পূর্ণ বৎসর বা উহার ০৬ (ছয়) মাসের অধিক সময় চাকুরীর জন্য ক্ষতিপূরণ হিসাবে ৩০ (ত্রিশ) দিনের এবং প্রতিষ্ঠানে কর্মরত অবস্থায় অথবা কর্মকালীন দুর্ঘটনার কারণে পরবর্তীতে মৃত্যুর ক্ষেত্রে ৪৫ (পঁয়তাল্লিশ) দিনের মজুরী অথবা গ্রাচুইটি, যাহা অধিক হইবে, প্রদান করিবেন, এবং এই অর্থ মৃত শ্রমিক চাকুরী হইতে অবসর গ্রহণ করিলে যে অবসর জনিত সুবিধা প্রাপ্ত হইতেন, তাহার অতিরিক্ত হিসাবে প্রদেয় হইবে।
এখানে চাকুরীরত থাকা অবস্খায় বলতে বুঝাচ্ছে, আপনি আপনার কর্মস্থলের বাহিরে , বাসায় , কোন দুর্ঘটনায় যেখানেই মারা যান না কেন আপনি মৃত্যুবরন করিলে ক্ষতিপূরণ হিসাবে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মজুরী পাইবেন।
এইছাড়াও শ্রম আইনের ধারা ৯৯ ও ইপিজেড আইন এর ধারা ৩৬ অনুযায়ী কোম্পানী থেকে মৃত শ্রমিকের জন্য দাবীকৃত বীমার টাকা ও পাবেন।
এখানে অবসরজনিত ছুটি বলিতে শ্রম আইনের ধারা ২৮ ও ইপিজেড আইন এর ধারা ২৪ অনুযায়ী অবসরজনিত সুবিধা পাইবেন।
.
.
.
প্রশ্নঃ শ্রম আইন ও ইপিজেড আইন অনুযায়ী শ্রমিক অবসর গ্রহন করিলে কি সুবিধা বা ক্ষতিপূরন পাবেন বা শর্ত কি?