উত্তরঃ বাংলাদেশ শ্রম আইনের ধারা-৪৭(৪) এর দফা (ক) (খ)(গ)(ঘ) এবং ইপিজেড আইন এর বিধি ৩৫(৪) এর দফা (ক) (খ)(গ)(ঘ) অনুযায়ী,
একজন নারী কর্মীর ইচ্ছা অনুযায়ী মাতৃত্বকালীন সুবিধা পরিশোধের ৩টি (তিনটি) পদ্ধতির কথা বলা আছে।
১। ধারা-৪৭(৪)(ক) অনুযায়ী একজন নারী কর্মী ৬০ দিনের মধ্যে সন্তান জন্ম দেয়ার বিষয়ে চিকিৎসকের প্রত্যয়নপএ পেশ করার ৩ (তিন) কর্ম দিবসের মধ্যে প্রথম ৬০ দিনের এবং সন্তান জন্ম নেয়ার প্রমান পেশের পরবর্তী ৩ (তিন) কর্ম দিবসের মধ্যে বাকী ৬০ দিনের টাকা পরিশোধ করতে হবে।
২। ধারা-৪৭(৪)(খ) ও (গ) অনুযায়ী একজন নারী কর্মী সন্তান জন্ম নেয়ার প্রমান পেশের পরবর্তী ৩ (তিন) কর্ম দিবসের মধ্যে এক সাথে ১২০ দিনের টাকা পরিশোধ করতে হবে।
৩। ধারা-৪৭(৪)(ঘ) অনুযায়ী সন্তান জন্মের পরবর্তী ৩ মাসের মধ্যে সন্তান জন্ম নেয়ার প্রমান পেশ করলে তাকে এক সাথে ১২০ দিনের সুবিধা প্রদান করা যাবে।
উক্ত তিনটির যেকোন একটি পদ্ধতিতে কোন নারী কর্মী মাতৃত্বকালীন সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।
তবে এ ক্ষেত্রে ইপিজেড আইন এর বিধি ৩৫(৪) এর দফা (ক) (খ)(গ)(ঘ) তে , ৬০ দিন এর পরিবর্তে ৫৬ দিন এবং ১২০ দিন এর পরিবর্তে ১১২ দিন হবে।
২০২৬ সালে শ্রম আইন সংশোধনের ফলে শ্রম আইনে ১২০ দিন সুবিধা অন্তভুক্তি করা হয়।