বাংলাদেশ শ্রম আইন এবং বিধিমালার নিয়ম অনুযায়ী কর্মী দুইভাবে ছুটি নগদায়নের সুবিধা পাবেন।
১। প্রতি বছরে একবার। (বিধি-১০৭)
২। চাকুরী ছাড়ার সময়ে একবার। (ধারা-১১)
শ্রম বিধিমালার বিধি-১০৭ অনুযায়ী একজন কর্মী উক্ত বছরে বাৎসরিক ছুটির অর্ধেক হারে নগদায়ন করতে পারেন এবং মজার বিষয় হল, চাকুরী চলাকালীন সময়ে একজন কর্মী ছুটি নগদায়নের সুবিধা ২০১৫ সাল থেকেই চালু হয়।
যদিও অনেক মালিক ২০০৬ সাল থেকে এমন নগদায়নের সুবিধা চালু রেখেছেন।
প্রতিবছরে ছুটি নগদায়নের ক্ষেত্রে একটা বিষয় লক্ষ্য করতে হবে, বিধি-১০৭ তে একটা শব্দ বছরন্তে।
বছরন্তে অর্থ হল আপনি যেই বছরে যতটুকু ছুটি পাবেন তাই।
আপনি ২০১৬ সালে ৫টি এবং ২০১৭ সালে ৫টি ছুটি জমা রাখলেন এবং ২০১৮ সালে আপনি ছুটি পেলেন ১৪টি ছুটি পেলেন।
২০১৮ সালের ছুটি যখন আপনি নগদায়ন করবেন তখন ৭টি ছুটি নগদায়ন করতে পারবেন।
অনেকেই মোট ২৪টি থেকে ১২টি নগদায়ন করে দিয়ে থাকেন এবং এতে আইনের চেয়ে বেশি সুবিধা দেয়া হয়ে থাকে।
ধারা-১১ অনুযায়ী কর্মীর চাকুরীকালীন সময়ে মোট জমাকৃত সকল ছুটি একবারে নগদায়ন করে দেয়া বাধ্যতামূলক।
চাকুরী ছাড়ার সময়ে কর্মী দুটি ছুটির নগদায়নের অর্থ পাবেন।
১। ধারা-১১ অনুযায়ী বাৎসরিক ছুটি।
২। বিধি-১০১ অনুযায়ী অভোগকৃত ক্ষতিপূরণমূলক সাপ্তাহিক ছুটি।