উত্তরঃ বাংলাদেশ শ্রম আইন অনুযায়ী ২৩(৪) এর দফা (ক – ঞ) এবং ইপিজেড আইন এর বিধি ২৩ (১) এর দফা (ক – দ) এ উল্লেখিত অসদাচরনের জন্য শ্রম আইন এর ধারা ২৪ ও শ্রম বিধিমালা ২৯ বা ইপিজেড আইন এর ধারা ২১ ও বিধি ২৪ , বিধি ২৫ অনুসরন করে কোন শ্রমিক দোষী সাব্যস্ত হইলে ,
উক্ত শ্রমিককে , বাংলাদেশ শ্রম আইন ধারা ২৩ (২) ও ইপিজেড আইন এর বিধি ২৩(২) অনুযায়ী , নিম্মোক্ত শাস্তি প্রদান করা যাইতে পারে,
(ক) অপসারণ;
(খ) নিম্ন পদে, গ্রেডে বা মজুরি স্কেলে অনধিক ১ (এক) বৎসর পর্যন্ত অবনমন;
(গ) অনধিক ১ (এক) বৎসরের জন্য পদোন্নতি স্থগিত;
(ঘ) অনধিক ১ (এক) বৎসরের জন্য মজুরি বৃদ্ধি স্থগিত;
(ঙ) জরিমানা আরোপ;
(চ) অনধিক ৭ (সাত) দিন পর্যন্ত বিনা মজুরিয়েও খোরাকীতে সাময়িক বরখাস্ত; এবং (ছ) ভৎসনা ও সতর্কীকরণ।
বাংলাদেশ শ্রম আইন ধারা ২৩ (৩) ও ইপিজেড আইন এর বিধি ২৩(৪) অনুযায়ী ,
বরখাস্তকৃত বা অপসারিত কোন শ্রমিককে, যদি তাহার অবিচ্ছিন্ন চাকুরীর মেয়াদ অন্যূন এক বৎসর হয়, মালিক ক্ষতিপূরণ বাবদ প্রত্যেক সম্পূর্ণ চাকুরী বৎসরের জন্য ১৫ দিনের মজুরী প্রদান করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, কোন শ্রমিক বাংলাদেশ শ্রম আইন ধারা ২৩ (৪) এর দফা (খ) ও (ছ) এবং ইপিজেড আইন এর বিধি ২৩(১) এর দফা (খ), (ছ). (ঠ) ও (ড) এর অধীন অসদাচরণের জন্য বরখাস্ত করা হইলে তিনি কোন ক্ষতিপূরণ পাইবেন না। তবে এইরূপ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শ্রমিক তাহার অন্যান্য আইনানুগ পাওনাদি যথা নিয়মে পাইবেন।