উত্তরঃ বাংলাদেশ শ্রম আইন এর ধারা ২৩(৪) অনুযায়ী অসাদচরনের শাস্তি হিসেবে ধারা ২৩(২-ঙ) অনুযায়ী এবং ইপিজেড আইন এর বিধি ২৩ (২) (ঙ) এর অধীন জরিমানা করা যাবে।
জরিমানা করার পদ্ধতি বা পরিমান
বাংলাদেশ শ্রম আইন এর ধারা ২৫ ও ইপিজেড আইন এর বিধি ২৬ অনুযায়ী ,
(১) কোন মজুরী মেয়াদে প্রদেয় মজুরীর এক দশমাংশের অধিক পরিমাণ অর্থ কোন শ্রমিককে জরিমানা করা যাইবে না।
(২) পনের বৎসরের কম বয়স্ক কোন শ্রমিকের উপর জরিমানা আরোপ করা যাইবে না।
(৩) কোন শ্রমিকের উপর আরোপিত জরিমানা কিস্তি ভিত্তিতে বা উহা আরোপের তারিখ হইতে ষাট দিন অতিক্রান্ত হওয়ার পর আদায় করা যাইবে না।
(৪) কোন জরিমানা, যে অপরাধের জন্য আরোপিত হইয়াছে সে অপরাধ সংঘটনের তারিখেই উহা আরোপিত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।
(৫) সকল জরিমানা এবং উহার আদায় বিধি দ্বারা নির্ধারিত একটি রেজিস্টারে মালিক কর্তৃক লিপিবদ্ধ করা হইবে, এবং আদায়কৃত জরিমানা কেবলমাত্র প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত শ্রমিকগণের কল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করা যাইবে।