বাংলাদেশ শ্রম আইন এর ধারা ১০০ ও বিধি ৯৯ এবং ইপিজেড আইন ৩৮ ও ইপিজেড বিধি ১০৬ অনুযায়ী,
কোন শ্রমিকের দৈনিক কর্মঘন্টা হইবে আহার এবং বিশ্রামের বিরতি ব্যতীত ০৮ (আট) ঘন্টা এবং অধিকাল ভাতা প্রদান সাপেক্ষে দিনে ১০ ঘন্টা পর্যন্ত কাজ করানো যাইবে।
তবে শর্ত থাকে যে অধিকাল কাজ আরম্ভ হইবার ০২ ঘন্টা পূর্বে শ্রমিককে অবহিত করিতে হইবে।
অধিকাল ভাতা হিসাব করার পদ্ধতিঃ
শ্রম আইনের ধারা ১০৮ (১) ও ইপিজেড আইন ৪৫ অনুযায়ী ,
অধিকাল কাজের জন্য শ্রমিক তাহার মূল মজুরি ও মহার্ঘ ভাতা এবং এডহক বা অন্তর্বর্তী মজুরি, যদি থাকে, এর সাধারণ হারের দ্বিগুণ হারে ভাতা পাইবেন।
শ্রম বিধি ১০২ ও ইপিজেড বিধি ১০৮ অনুযায়ী,
(১) শ্রমিকের অধিকাল কর্মের জন্য প্রদেয় ঘন্টাভিত্তিক মজুরির সাধারণ হার নিম্নবর্ণিতভাবে হিসাব করিতে হইবে, যথা:-
(ক) দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে নিযুক্ত শ্রমিকের ক্ষেত্রে তাহার দৈনিক মজুরির ১/৮ অংশ;
(খ) সাপ্তাহিক মজুরির ভিত্তিতে নিযুক্ত শ্রমিকের ক্ষেত্রে তাহার সাপ্তাহিক মজুরির ১/৪৮ অংশ; এবং
(গ) মাসিক মজুরির ভিত্তিতে নিযুক্ত শ্রমিকের ক্ষেত্রে তাহার মাসিক মজুরির ১/২০৮ অংশ।
টীকা। ৫২/১২ × ৪৮ ঘন্টা =২০৮ ঘন্টায় একটি মাস হইবে।
ঘন্টাপ্রতি অধিকাল ভাতার হার = (মাসিক মূল মজুরি ও মহার্ঘ ভাতা এবং এডহক বা অন্তর্বর্তী মজুরি (যদি থাকে) x ২ x ওভারটাইম ঘন্টা)/ ২০৮ ঘন্টা।
(২) কোন প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত শ্রমিক দ্বারা অধিকাল কাজ করানো হইলে উক্ত অতিরিক্ত কাজের সময় উল্লেখ করিয়া প্রতিষ্ঠানের মালিক বা তৎকর্তৃক প্রাধিকারপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি শ্রমিককে প্রদত্ত কার্ড বা স্লিপে স্বাক্ষর করিয়া কাজ শেষে শ্রমিককে প্রদান করিবেন।