(১) এই অধ্যায়ের অধীন প্রদত্ত শ্রম আদালতের নিম্নলিখিত আদেশের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আপীল করা যাইবে, যথাঃ-
(ক) ক্ষতিপূরণ হিসাবে থোক অর্থ রোয়েদাদের আদেশ, উহা মাসিক অর্থ পরিশোধ করিয়া হউক অথবা অন্যভাবে হউক, অথবা থোক অর্থ প্রদানের দাবী সম্পূর্ণ বা আংশিক না মঞ্জুরের আদেশ;
(খ) অর্থ পরিশোধ করতঃ মাসিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের দায় হইতে মুক্ত হওয়ার আবেদন প্রত্যাখানের আদেশ;
(গ) কোন মৃত শ্রমিকের পোষ্যগণের মধ্যে ক্ষতিপূরণের অর্থ বন্টনের ব্যবস্থাসম্বলিত আদেশ, অথবা উক্তরূপ পোষ্য বলিয়া দাবীদার কোন ব্যক্তির ক্ষতিপূরণ পাওয়ার দাবী না মঞ্জুরের আদেশ; না মঞ্জুরের ত
(ঘ) ধারা ১৬১ (২) এর অধীন ক্ষতিপূরণের কোন অর্থ দাবী মঞ্জুর বা না মঞ্জুরের আদেশ;
(ঙ) চুক্তির স্মারকলিপির রেজিস্ট্রিকরণ প্রত্যাখ্যান, অথবা উহার রেজিস্ট্রিকরণ অথবা উহার শর্তসাপেক্ষে রেজিস্ট্রিকরণের আদেশ; অথবা
(চ) ধারা ১৫৫ (৭) এর অধীন আদেশ।
(২) পক্ষগণ কর্তৃক শ্রম আদালতের সিদ্ধান্ত মানিয়া চলিতে সম্মত হওয়ার ক্ষেত্রে অথবা পক্ষগণের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তি কার্যকর করার জন্য শ্রম আদালত কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলিবে না।
(৩) মালিক কর্তৃক উপ-ধারা (১) (ক) এর অধীন কোন আপীল দায়ের করা যাইবে না যদি না আপীলের স্মারকলিপির সহিত শ্রম আদালত কর্তৃক প্রদত্ত এই মর্মে প্রত্যয়নপত্র থাকে যে, আপীলকারী উক্ত আদালতে সংশ্লিষ্ট আদেশের অধীন প্রদেয় অর্থ জমা দিয়াছেন।
(৪) কোন আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপীল চলিবে না যদি না আপীলে কোন উল্লেখযোগ্য আইনগত প্রশ্ন জড়িত থাকে, এবং উপ-ধারা (১) (খ) এ উল্লিখিত কোন আদেশ ব্যতীত অন্য কোন আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপীল চলিবে না, যদি না আপীলে বিরোধীয় অর্থের পরিমাণ অন্যূন এক হাজার টাকা হয়।
(৫) এই ধারার অধীন আপীলের জন্য তামাদির মেয়াদ হইবে ষাট দিন।
(৬) তামাদী আইন, ১৯০৮ (১৯০৮ সনের ৯নং আইন) এর ধারা ৫ এর বিধান এই ধারার অধীন আপীলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।