উত্তরঃ
শ্রম আইন এর ধারা ৯৯(১) অনুযায়ী , যে সকল প্রতিষ্ঠানে অন্যূন ১০০ জন স্থায়ী শ্রমিক কর্মরত রহিয়াছেন কিন্তু ইপিজেড বিধি ৩৬(১) অনুযায়ী যে সকল প্রতিষ্ঠানে অন্যূন ২৫ (পঁচিশ) জন স্থায়ী শ্রমিক কর্মরত রহিয়াছেন, সেইখানে মালিক প্রচলিত বীমা আইন অনুযায়ী গ্রুপ বীমা চালু করিবেন।
শ্রম আইন এর ধারা ৯৯ , বিধি ৯৮ এবং ইপিজেড আইন ৩৬ , ইপিজেড বিধি ১০৫ অনুযায়ী,
- বিমা দাবির টাকা এই আইনের অধীন শ্রমিকের অন্যান্য প্রাপ্যের অতিরিক্ত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, শ্রমিকের মৃত্যুর ক্ষেত্রে বীমা দাবী আদায় মালিকের দায়িত্ব হইবে এবং মালিক উক্ত বীমা দাবী হইতে আদায়কৃত অর্থ পোষ্যদের সরাসরি প্রদানের ব্যবস্থা করিবেন:
আরও শর্ত থাকে যে, অন্য আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুন না কেন, এই ধারা অনুযায়ী কোন বীমা দাবী উত্থাপিত হইলে উহা অনুর্ধ একশত বিশ দিনের মধ্যে বীমা কোম্পানী ও মালিক যৌথ উদ্যোগে নিস্পত্তি করিবেন।
- বীমা ব্যবস্থা চালু করিবার লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক অনুমোদিত যে কোন প্রতিষ্ঠিত বীমা কোম্পানির সহিত মালিক চুক্তি করিতে পারিবেন।
- বিমার বাৎসরিক প্রিমিয়াম মালিক পরিশোধ করিবেন এবং এই জন্য শ্রমিকের মজুরি হইতে কোনো কর্তন করা যাইবে না ও বিমার বাৎসরিক প্রিমিয়াম ও বিমার অর্থ আয়কর মুক্ত হইবে।
- চাকরিরত অবস্থায় যে কোন কারণেই শ্রমিকের মৃত্যুর ক্ষেত্রে শ্রমিকের মনোনীত ব্যক্তিকে বা আইনগত উত্তরাধিকারীকে উক্ত বীমার অর্থ পরিশোধ করিতে হইবে।
- বীমার বাৎসরিক প্রিমিয়াম ও বীমার অর্থ আয়কর মুক্ত হইবে।
- বীমা হইতে প্রাপ্য আর্থিক সুবিধা আইন ও এই বিধিমালার অন্যত্র প্রদত্ত আর্থিক প্রাপ্যতার বিকল্প হইবে না।
- শ্রমিকের কল্যাণের জন্য অংশগ্রহণ তহবিল স্থাপিত হইলে গ্রুপ বিমা চালু করিবার প্রয়োজন হইবে না এবং এইরূপ ক্ষেত্রে শ্রমিকের গ্রুপ বিমার সমপরিমাণ অর্থ উক্ত তহবিল হইতে প্রদান করা হইবে।
কেন্দ্রীয় তহবিল স্থাপিত হইলে গ্রুপ বীমার প্রযোজ্যতা
শ্রম আইন এর ধারা ৯৯(৩) অনুযায়ী
(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ধারা ২৩২ এর উপ-ধারা (৩) এর অধীন শতভাগ রপ্তানিমুখী শিল্প সেক্টর অথবা শতভাগ বৈদেশিক মুদ্রা বিনিয়োগকারী শতভাগ রপ্তানিমুখী শিল্প সেক্টরসহ অন্যান্য শিল্প সেক্টরে সরকার কর্তৃক কেন্দ্রীয় তহবিল স্থাপিত হইলে উক্ত শিল্প সেক্টরের শ্রমিকদের জন্য গ্রুপ বীমা করিবার প্রয়োজন হইবে না এবং এইরূপ ক্ষেত্রে শ্রমিকের গ্রুপ বীমার সমপরিমাণ অর্থ উক্ত তহবিল হইতে প্রদান করা হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, কেন্দ্রীয় তহবিলের শতকরা ৫০ (পঞ্চাশ) ভাগ অর্থ গ্রুপ বীমার পরিবর্তে প্রদানের নিমিত্ত এবং অবশিষ্ট শতকরা ৫০ (পঞ্চাশ) ভাগ অর্থ শ্রমিকের কল্যাণে ব্যবহৃত হইবে।
ইপিজেড বিধি ১০৫ অনুযায়ী,
আইনের ধারা ১৭২ অনুযায়ী জোনে কর্মরত শ্রমিকের কল্যাণের জন্য অংশগ্রহণ তহবিল স্থাপিত হইলে গ্রুপ বিমা চালু করিবার প্রয়োজন হইবে না এবং এইরূপ ক্ষেত্রে শ্রমিকের গ্রুপ বিমার সমপরিমাণ অর্থ উক্ত তহবিল হইতে প্রদান করা হইবে।