ধারা – প্রথম তফসিল

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

প্রথম তফসিল

[ধারা ২(১-ক), (৬৭) এবং ধারা ১৫১ দ্রষ্টব্য।

স্থায়ী আংশিক অক্ষমতা বলে বিবেচিত আঘাতের তালিকা

প্রথম অংশস্থায়ী পূর্ন অক্ষমতা
ক্রমিক নংআঘাতের বিবরণক্ষতির শতকরা হার (%)
1উভয় চোখের দৃষ্টিশক্তি সম্পূর্ণ হারানো১০০%
2উভয় পা গোড়ালি বা তার উপরে থেকে হারানো১০০%
3উভয় হাত কজি বা তার উপরে থেকে হারানো১০০%
4স্থায়ী মস্তিষ্ক ক্ষতির ফলে মানসিক অক্ষমতা যাহা কর্মীকে উপার্জনক্ষম করে না১০০%
5মুখমণ্ডলের গুরুতর বিকৃতি১০০%
6কোয়াডিপ্লেজিয়া (চার অঙ্গ পক্ষাঘাত)১০০%
প্যারাপ্লেজিয়া (নিম্নাঙ্গ পক্ষাঘাত)১০০%
8হেমিপ্লেজিয়া (অর্ধাঙ্গ পক্ষাঘাত)১০০%
9এক হাত বা এক পা সম্পূর্ণরূপে হারানো১০০%
10সম্পূর্ণ বধিরতা১০০%
 
দ্বিতীয় অংশস্থায়ী আংশিক অক্ষমতা
 ঊর্ধ্বাঙ্গের অঙ্গহানি 
11ঊর্ধ্ববাহর (আর্ম) প্রথম তৃতীয়াংশ পর্যন্ত৭০%
12উর্ধ্ববাহুর (আর্ম) মধ্যম তৃতীয়াংশ পর্যন্ত৬৫%
13ঊর্ধ্ববাহর (আর্ম) শেষ তৃতীয়াংশ থেকে কনুই-এর নিচ পর্যন্ত৬০%
14কনুইর নিচ থেকে কব্জি পর্যন্ত৫০%
15কব্জি হতে হাতের পাতার (পাল্ম) মধ্য অংশ পর্যন্ত৫০%
16এক হাতের চার আঙুল হারানো৫০%
১৭এক হাতের তিন আঙুল হারানো৩০%
18এক হাতের দুই আঙুল হারানো২০%
 
 ডান বা বাম হাতের আঙুলের অঙ্গহানি 
 বৃদ্ধাঙ্গুল 
19সম্পূর্ণ বৃদ্ধাঙ্গুলি৩০%
20আংশিক বৃদ্ধাঙ্গুলি হারানো (আইপি জয়েন্ট পর্যন্ত)১৫%
21বৃদ্ধাঙ্গুলির ডিন্টাল ফ্যালাঞ্জের অর্ধেক১০%
22বৃদ্ধাঙ্গুলির ডিস্টাল ফ্যালাঞ্জের কমপক্ষে এক-চতুর্থাংশ০৫%

প্রথম তফসীল বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ৬৫ নং অধ্যাদেশ) এর ৯০ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

২৩হাড়ের ক্ষতি ছাড়া অগ্রভাগ (টিপ অফ ফিঙ্গার)৫.০০%
 
 তর্জনী 
২৪সম্পূর্ণ১৪.০০%
২৫দুই ক্ষুদ্র অস্থি (ফ্যালাঞ্জ)১১.০০%
২৬এক ক্ষুদ্র অস্থি (ফ্যালাঞ্জ)৯.০০%
২৭হাড়ের ক্ষতি ছাড়া অগ্রভাগ (টিপ অফ ফিঙ্গার)৫.০০%
 
 মধ্যমা 
২৮সম্পূর্ণ১২.০০%
২৯দুই ক্ষুদ্র অস্থি (ফ্যালাঞ্জ)৯.০০%
৩০এক ক্ষুদ্র অস্থি (ফ্যালাঞ্জ)৭.০০%
৩১হাড়ের ক্ষতি ছাড়া অগ্রভাগ (টিপ অফ ফিঙ্গার)৫.০০%
 
 অনামিকা/কনিষ্ঠা 
৩২সম্পূর্ণ৭.০০%
৩৩দুই ক্ষুদ্র অস্থি (ফ্যালাঞ্জ)৬.০০%
৩৪এক ক্ষুদ্র অস্থি (ফ্যালাঞ্জ)৫.০০%
৩৫হাড়ের ক্ষতি ছাড়া অগ্রভাগ (টিপ অফ ফিঙ্গার)৫.০০%
 
 নিম্নাঙ্গের অঙ্গহানি 
আঘাতের বিবরণক্ষতির শতকরা হার (%)
৩৬কোমরের (হিপ জয়েন্ট) নিচ থেকে উরুর (থাই) প্রথম তৃতীয়াংশ পর্যন্ত৮০.০০%
৩৭কোমরের (হিপ জয়েন্ট) নিচ থেকে উরুর (থাই) মধ্যম তৃতীয়াংশ পর্যন্ত৭০.০০%
৩৮কোমরের (হিপ জয়েন্ট) নিচ থেকে উরুর (থাই) শেষ তৃতীয়াংশ পর্যন্ত৬০.০০%
৩৯কোমরের নিচে উরুর (থাই) শেষ তৃতীয়াংশ থেকে হাটুর নিচের পায়ের প্রথম তৃতীয়াংশ পর্যন্ত৫০.০০%
৪০হাঁটু (নি জয়েন্ট) নিচে পায়ের মধ্যম তৃতীয়াংশ পর্যন্ত৮০.০০%
৪১পায়ের মধ্যম তৃতীয়াংশ থেকে গোড়ালী পর্যন্ত৩০.০০%
৪২পায়ের পাতার মধ্যভাগ পর্যন্ত২৫.০০%
৪৩উভয় পায়ের গোড়ালী পর্যন্ত সম্পূর্ণ হারানো৯০.০০%
৪৪উভয় পায়ের পাতার অস্থির সহিত আঙ্গুলের অস্থিসন্ধি অগ্রভাগে সম্পূর্ণ হারানো (মেটাটারসো-ফ্যালেঞ্জিয়াল জয়েন্টের অগ্রভাগে)৮০.০০%
৪৫উভয় পায়ের পাতার অস্থির সহিত আঙ্গুলের অস্থিসন্ধি বরাবর সকল আঙ্গুল হারানো৮০.০০%
৪6উভয় পায়ের সকল আঙ্গুল হারানো (ক্ষুদ্র অস্থিসন্ধি পর্যন্ত)৫০.০০%
৪৭এক পায়ের পাতার অস্থির সহিত আঙ্গুলের অস্থিসন্ধি পর্যন্ত সকলেআঙ্গুলি হারানো (মেটাটারসো-ফ্যালেঞ্জিয়াল জয়েন্ট)২০.০০%
৪৮বৃদ্ধাঙ্গুলির দুই ক্ষুদ্র অস্থি (ফ্যালাঞ্জ)১০.০০%
৪৯বৃদ্ধাঙ্গুলির এক ক্ষুদ্র অস্থি (ফ্যালাঞ্জ)৩.০০%
 পায়ের অন্য আঙুল 
৫০পায়ের পাতার অস্থির সহিত আঙ্গুলের অস্থিসন্ধি পর্যন্ত৫.০০%
৫১আঙ্গুলের ক্ষুদ্র অস্থি (ফ্যালাঞ্জেস) হারানো২.০০%
 বৃদ্ধাঙ্গুল ছাড়া এক পায়ের দুইটি আঙ্গুল 
৫২পায়ের পাতার অস্থির সহিত আঙ্গুলের অস্থিসন্ধি পর্যন্ত৫.০০%
৫৩আঙ্গুলের ক্ষুদ্র অস্থি (ফ্যালাঞ্জেস) হারানো২.০০%
 বৃদ্ধাঙ্গুল ছাড়া এক পায়ের তিনটি আঙ্গুল 
৫৪পায়ের পাতার অস্থির সহিত আঙ্গুলের অস্থিসন্ধি পর্যন্ত৬.০০%
55আঙ্গুলের খুদ্র অস্থি (ফ্যালাঞ্জেস) হারানো৩.০০%
 বৃদ্ধাঙ্গুল ছাড়া এক পায়ের চারটি আঙ্গুল 
৫৬পায়ের পাতার অস্থির সহিত আঙ্গুলের অস্থিসন্ধি পর্যন্ত৯.০০%
৫৭আঙ্গুলের ক্ষুদ্র অস্থি (ফ্যালাঞ্জেস) হারানো৫.০০%
 
 ঘ্রাণশক্তি 
৫৮ঘ্রাণশক্তি সম্পূর্ণ হারানো২০.০০%
 
 দৃষ্টিশক্তি 
৫৯এক চোখ (আইবল) সম্পূর্ণ হারানো (আঘাত জনিত কারণে)৪৫.০০%
৬০এক চোখের দৃষ্টিশক্তি সম্পূর্ণ হারানো৪০.০০%
৬১দৃষ্টিশক্তি আংশিক হারানো১৫.০০%
৬২এক চোখে ছানি বা অ্যাফাকিয়া১০.০০%
৬৩উভয় চোখে অ্যাফাকিয়া২০.০০%
৬৪উভয় চোখের টেম্পোরাল দৃষ্টিক্ষেত্র (হেমিয়ানোপসিয়া)২৫.০০%
৬৫উভয় চোখের নেজাল দৃষ্টিক্ষেত্র (হেমিয়ানোপসিয়া)২০.০০%
৬৬সব দৃষ্টিক্ষেত্রে ডিপ্লোপিয়া (দ্বিদৃষ্টি)২০.০০%
৬৭স্কোটোমা, অবস্থান ও মাত্রা অনুযায়ী১০% – ১৬%
 শ্রবণশক্তি 
৬৮এক কানে শোনার ক্ষমতা সম্পূর্ণ ও আকস্মিকভাবে হারানো৩০.০০%
৬৯উভয় কানে শ্রবণশক্তি হ্রাস (মাত্রা অনুযায়ী)৪০% – ৬০%
৭০টিনিটাস (কানে শোঁ শোঁ শব্দ)১০.০০%
 
 পেরিফেরাল নার্ভ ইঞ্জুরি (স্থায়ীভাবে) 
 ঊর্ধ্ববাহু 
৭১ব্র্যাকিয়াল প্লেক্সাস ইঞ্জুরি৭০.০০%
৭২রেডিয়াল নার্ভ ইঞ্জুরি৫০.০০%
৭৩মিডিয়াল নার্ভ ইঞ্জুরি৮০.০০%
৭৪আলনার নার্ভ ইঞ্জুরি৩০.০০%
 নিম্নবাহ 
৭৫সায়াটিক নার্ভ ইঞ্জুরি৭০.০০%
৭৬কমন পেরোনিয়াল নার্ভ ইঞ্জুরি৩০.০০%
 সার্ভিকাল, থোরাসিক ও লাম্বার স্পাইন কার্যকারিতা (ব্যক্তিগত বিবেচনা) 
৭৭সামান্য কার্যকারিতা হ্রাস (দৈনন্দিন কাজকর্মে সামান্য বিঘ্ন)০% – ৫%
৭৮মাঝারি কার্যকারিতা হ্রাস (চিকিৎসার প্রয়োজন, দৈনন্দিন কাজে কিছু বিঘ্ন)৬% – ২৫%
৭৯গুরুতর কার্যকারিতা হ্রাস (চিকিৎসা প্রয়োজন, ব্যক্তিগত দক্ষতা হ্রাস)২৬% – ৫০%
৮০অত্যন্ত গুরুতর কার্যকারিতা হ্রাস (অন্যের সহায়তা প্রয়োজন)৫১% – ৭৫%
   
 মস্তিষ্ক বা সেরিব্রাল জৈবিক আঘাত (ব্যক্তিগত বিবেচনা) 
৮১সামান্য কার্যকারিতা হ্রাস (সামাজিক বা ব্যক্তিগত দক্ষতায় সামান্য বিঘ্ন)০% – ৫%
৮২মাঝারি কার্যকারিতা হাস (চিকিৎসা প্রয়োজন, ব্যক্তিগত দক্ষতা হ্রাস)৬% – ২৫%
৮৩গুরুতর কার্যকারিতা হ্রাস (সামাজিক ও ব্যক্তিগত দক্ষতা হ্রাস, অন্যের তত্ত্বাবধান প্রয়োজন)২৬% – ৫০%
৮৪অত্যন্ত গুরুতর কার্যকারিতা হ্রাস (নির্ভরশীলতা, দৈনন্দিন জীবনে তত্ত্বাবধান প্রয়োজন)৫১% – ৭৫%
 পেট বা বক্ষস্থলের অঙ্গ (ফুসফুস, হৃদযন্ত্র, পরিপাকতন্ত্র, কিডনি, অন্তঃস্রাবী, রক্ততন্ত্র, জননতন্ত্র) (ব্যক্তিগত বিবেচনা) 
আঘাতের বিবরণক্ষতির শতকরা হার (%)
৮৫সামান্য কার্যকারিতা হ্রাস০%-৫%
৮৬মাঝারি কার্যকারিতা হ্রাস৬% – ২৫%
৮৭গুরুতর কার্যকারিতা হ্রাস২৬%-৫০%
৮৮অত্যন্ত গুরুতর কার্যকারিতা হাস৫১% – ৭৫%
পোড়া, আঘাত বা চর্মরোগের দাগ (ব্যক্তিগত বিবেচনা) 
 দাগ দ্বারা ত্বকের গুণগত পরিবর্তন বোঝায়, যাহা নন-ভিসিয়াস বা ভিসিয়াস হতে পারে। শরীরের ১% পৃষ্ঠতল- ‘হাতের তালু’। শুধুমাত্র ভিসিয়াস দাগ ক্ষতিপূরণযোগ্য। প্রকাশিত স্থানে (মাথা, হাত-পা) দাগের ক্ষতি বেশি।
নন-ভিসিয়াস দাগ: রৈখিক, আশেপাশের ত্বকের সমান, রঙ প্রায় একই, কোনো সংকোচন বা বিকৃতি সৃষ্টি করে না।
ভিসিয়াস দাগ: অসম, ডিপ্রেসড, গাঢ় রঙের, কেলয়েড বা হাইপারট্রফিক, সংকোচন সৃষ্টিকারী।
 
৮৯সামান্য (শরীরের ৫%-এর কম)০%-৫%
৯০মাঝারি (৬% ১০%)৬% – ১০%
৯১গুরুতর (১০%-এর বেশি)১১% – ২৫%
মানসিক রোগ (ব্যক্তিগত বিবেচনা) 
৯২সামান্য (দৈনন্দিন কাজে সামান্য বিঘ্ন)০%-৫%
৯৩মাঝারি (চিকিৎসা প্রয়োজন, সামাজিক দক্ষতা হ্রাস)৬% – ২৫%
৯৪গুরুতর (সামাজিক ও ব্যক্তিগত দক্ষতা হ্রাস, তত্ত্বাবধান প্রয়োজন)২৬%-৫০%
৯৫অত্যন্ত গুরুতর (নির্ভরশীলতা, দৈনন্দিন জীবনে তত্ত্বাবধান প্রয়োজন)৫১% – ৭৫%
দ্রষ্টব্য:   ১. এই তফসিলে উল্লিখিত কোনো অঙ্গ বা অঙ্গাংশের স্থায়ী ও সম্পূর্ণ কার্যকারিতা হারানোকে সেই অঙ্গ বা অঙ্গাংশের ক্ষতি বলে গণ্য করা হইবে।   ২. একাধিক আঘাতের ক্ষেত্রে, যোগ্য কর্তৃপক্ষের বিবেচনায় শতকরা হার বাড়ানো যাইতে পারে, তবে সর্বোচ্চ ১০০% এর বেশি হইবোনা [ধারা ১৫১(২)]।   ৩. এই তফসিলে উল্লেখ নেই এমন আঘাতের ক্ষেত্রে, যোগ্য কর্তৃপক্ষ তফসিলের সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে শতকরা হার নির্ধারণ করিবে [ধারা ১৫১(গ) (২)]।   ৪. অক্ষমতা মূল্যায়ন আঘাত স্থিতিশীল হইবার তারিখ বা ১২তম মাসে (যেটি আগে ঘটে) করিতে হইবে।   (বিএলএ-এর সংশ্লিষ্ট ধারাগুলো অনুযায়ী প্রণীত)

Get 30% off your first purchase

X
error: Content is protected !!