উত্তরঃ
শ্রম বিধিমালা ৬৬ এ বলা হয়েছে ,
প্রতিষ্ঠানের যে কোন স্থানে বিপজ্জনক হইতে পারে বা পরিদর্শক যে স্থানে নির্দেশ প্রদান করেন সেইরূপ স্থানে ধুমপান নিষিদ্ধ করিয়া এবং উন্মুক্ত আলোর (যেমন- মোমবাতি, কুপি, দেশলাই, গ্যাস লাইটার, ইত্যাদি) ব্যবহার নিষিদ্ধ করিয়া এবং আগুন লাগিবার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় গৃহীতব্য সাবধানতা সম্পর্কে সহজ বাংলা ভাষায় লিখিত নোটিস প্রতিষ্ঠানের দৃষ্টিগ্রাহ্য স্থানে প্রদর্শন করিতে হইবে।
ইপিজেড বিধি ২৩ এর উপবিধি (ট) ও (ঠ) অনুযায়ী ধুমপানকে অসাদচরন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
উক্ত উপবিধি (ট) ও (ঠ) নিম্মরুপ;
(ট) কারখানার নিষিদ্ধ এলাকায় ধূমপান করা;
(ঠ) কোম্পানি, প্রতিষ্ঠান, কারখানা বা ইপিজেডের অভ্যন্তরে মাদকদ্রব্য গ্রহণ বা সেবন ও উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করা;
শ্রম আইনে ধারা ২৩(৩) অনুযায়ী , কোন শ্রমিককে ধারা ২৩ এর উপ-ধারা (৪) (খ) ও (ছ) এর অধীন অসদাচরণের জন্য বরখাস্ত করা হইলে তিনি কোন ক্ষতিপূরণ পাইবেন না বলা হয়েছে ঠিক একইকারনে ইপিজেড বিধি ২৩(৪) অনুযায়ী উক্ত দুটি অসাদচরন এর সাথে উক্ত ইপিজেড বিধি ২৩ এর উপবিধি (খ), (ছ).(ট) ও (ঠ) অনুযায়ী মোট ০৪ টি উপবিধির জন্য কোন শ্রমিক অসদাচরণের জন্য বরখাস্ত করা হইলে তিনি কোন ক্ষতিপূরণ পাইবেন না
অর্থাৎ ইপিজেড আইন ও বিধি অনুযায়ী ধুমপান কে মারাত্নক অসাদচরন হিসেবে গন্য করা হয়েছে।