(১) কোন প্রতিষ্ঠানে শিক্ষাধীনতা কার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্য প্রার্থী বাছাইকল্পে মালিক নিম্নোক্ত পদ্ধতি অনুসরণ করিবেন, যথা-
(ক) বিজ্ঞাপনের বিভিন্ন মাধ্যম ব্যবহার এবং নিকটতম চাকরির সন্ধান কেন্দ্রে শিক্ষাধীনতা কার্যক্রমে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রদান।
(খ) যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষা গ্রহণ। এবং
(গ) লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকার গ্রহণ।
(২) শিক্ষাধীনতা কার্যক্রমে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে মহিলা ও প্রতিবন্ধিদের অগ্রাধিকার প্রদান করিতে হইবে।
(৩) শিক্ষাধীন হিসাবে তালিকাভুক্তির জন্য বয়স সর্বনিম্ন ১৭ (সতের) বৎসর ও অনধিক ৩০ (ত্রিশ) বৎসর হইতে হইবে, তবে পূর্বে চাকরি করিয়াছেন এমন ব্যক্তির ক্ষেত্রে যোগা কর্তৃপক্ষ ইচ্ছানুসারে উক্ত বয়সসীমা শিথিল করিতে পারিবে।
(৪) তালিকাভুক্তির সময় শিক্ষাধীন ব্যক্তির শারীরিক উপযুক্ততা প্রমাণের জন্য মালিক নিজ খরচে ফরম-১৫ অনুযায়ী রেজিস্ট্রার্ড চিকিৎসক কর্তৃক স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা করিবেন এবং ফরম-১৫(ক) অনুযায়ী প্রত্যয়নপত্রের তথ্য সংরক্ষণ করিবেন।
(৫) শিক্ষাধীন ব্যক্তির সাক্ষাৎকার গ্রহণের তারিখ উপযুক্ত কর্তৃপক্ষকে অবহিত করিতে হইবে এবং তিনি ইচ্ছা করিলে সাক্ষাৎকারে এবং চূড়ান্ত নির্বাচনে উপস্থিত থাকিবার জন্য একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব প্রদান করিতে পারিবেন।
(৬) ধারা ৫ অনুযায়ী চুক্তিপত্র ও পরিচয়পত্র প্রদান না করিয়া শিক্ষাধীন হিসাবে ভর্তি করা যাইবে না।