উত্তরঃ ১৫১। (১) এর
(ক) অনুযায়ী , যে ক্ষেত্রে জখমের ফলে মৃত্যু হয়, সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শ্রমিকটি পঞ্চম তফসিলের দ্বিতীয় কলামে যে অর্থ উল্লেখ করা হইয়াছে সে অর্থ [ : তবে শর্ত থাকে যে, এই ক্ষতিপুরণের পরিমাণ তার চাকুরির স্বাভাবিক ছাঁটাই, বরখাস্ত, অবসান, পদত্যাগজনিত ক্ষতিপূরণের অতিরিক্ত হইবে;] ,
(খ) যে ক্ষেত্রে যখমের ফলে স্থায়ী সম্পূর্ণ অক্ষমতা ঘটে সেই ক্ষেত্রে পঞ্চম তফসিলের তৃতীয় কলামে যে অর্থ উল্লেখ করা হইয়াছে সেই অর্থ;
(গ) যে ক্ষেত্রে জখমের ফলে স্থায়ী আংশিক অক্ষমতা ঘটে সে ক্ষেত্রে- প্রথম তফসীল অনুযায়ী ক্ষতিপূরন দিতে হবে।
পঞ্চম তফসিল অনুযায়ী নিহত বা স্থায়ীভাবে অক্ষম কর্মীকে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ হইবে নিম্নরূপঃ
০১ .পঞ্চম তফসিলের দ্বিতীয় কলামঃ মৃত্যুজনিত কারনে যদি কোন কর্মী জখমের ফলে মারা যান তবে ২,০০,০০০ টাকা পাবে। তফসিল: ৫(২) সংশোধনী-২০১৮।
০২ .পঞ্চম তফসিলের দ্বিতীয় কলামঃ স্থায়ীভাবে অক্ষম কর্মীকে ২৫০,০০০ টাকা দিতে হবে। তফসিল: ৫(৩) সংশোধনী-২০১৮।
কিন্তু একটি ক্ষেত্রে উপরক্ত ক্ষতিপূনের পরিমান দিগুণ হবে। সেটা হল ধারা: (৮৬) অনুযায়ী যদি কোন কর্মী মালিকে কোন বিপজ্জনক অবস্থা সম্পর্কে আগাম নোটিশ প্রদান করেন এবং মালিক যদি নোটিশ প্রাপ্তির ৩ দিনের মধ্যে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করেন।
তৎপরবর্তী সময়ে যদি কোন উক্ত বিষয়ে কোন দুর্ঘটনা ঘটে তবে মালিকে দ্বাদশ অধ্যায় অনুযায়ী দিগুন হারে ক্ষতিপূরণ করতে হবে।
এক্ষেত্রে আরেকটি বিষয় লক্ষনীয় যা আমরা ভুল করে ফেলি তা হল ধারা ১৫৫(১) অনুযায়ী , জখমের ফলে মৃত কোন শ্রমিক সম্পর্কে প্রদেয় কোন ক্ষতিপূরন এবং আইনগত অক্ষমতার অধীন কোন ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ বাবদ প্রদেয় থোক অর্থ শ্রম আদালতে জমা দেওয়া ব্যতীত ভিন্ন কোন পন্থায় পরিশোধ করা যাইবে না।
অর্থ্যাৎ যাবতীয় ক্ষতিপূরন শ্রম আদালতের মাধ্যমেই পরিশোধ করিতে হইবে।