উত্তরঃ কোন কর্মী চাকুরী থেকে অবসর গ্রহণের কারনে অথবা মালিক কতৃক ছাঁটাই,ডিসচার্জ,অপসারণ,বরখাস্ত অথবা শ্রমিক কতৃক অব্যাহতি গ্রহনের কারনে বা অন্য কোন কারনে যদি কোন শ্রমিকের চাকুরীর ছেদ ঘটে সেক্ষেএে কর্মীদের চুড়ান্ত পাওনার নিষ্পত্তি করতে হয়।
শ্রম আইনের ধারা-৩০ এবং শ্রম আইন এর ধারা ১২৩(১) ও ১২৩ (২) অনুযায়ী পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে যাবতীয় পাওনাদি পরিশোধ করতে হবে।
কিন্তু ইপিজেড বিধি ২৯(৩) অনুযায়ী পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে যাবতীয় পাওনাদি পরিশোধ করতে হবে।
কিন্তু শ্রম বিধিমালা-২০১৫ এর বিধি-১১২(৪) অনুযায়ী এবং ইপিজেড আইন ২৬ অনুযায়ী , ৭ কর্মদিনের মধ্যে প্রাপ্য মজুরী পরিশোধের বিষয়ে বলা হয়েছে।
এছাড়া বিধি-১১২ তে আরও বলা হয়েছে যে ,
যদি কোন শ্রমিকের চাকরির ছেদ ঘটে, সেই ক্ষেত্রে উক্ত শ্রমিকের শুধুমাত্র প্রাপ্য বকেয়া মজুরি তাহার চাকরির ছেদ ঘটিবার তারিখ হইতে পরবর্তী ৭ (সাত) কর্মদিবসের মধ্যে এবং ক্ষতিপূরণ ও অন্যান্য পাওনা চাকরির ছেদ ঘটিবার তারিখ হইতে পরবর্তী অনধিক ৩০ (ত্রিশ) কর্মদিবসের মধ্যে পরিশোধ করিতে হইবে।
এখানে মাসিক বেতন ও ওভারটাইম এর টাকা ৭ কর্মদিনের মধ্যে ও বাকী সকল পাওনাদী যেমনঃ অর্জিত ছুটির টাকা , সার্ভিস বেনিফিট ও প্রভিডেন্ট ফান্ড ইত্যাদি যা পাওনা রয়েছে তা পরবর্তী ০৭ কর্মদিবসের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে।
শ্রম আইনের ধারা ১৩২ (৫) অনুযায়ী মজুরী বিলম্বে পরিশোধের জন্য দায়ী ব্যাক্তিকে মজুরীর ২৫% ক্ষতিপূরন হিসেবে দিতে হবে।