উত্তরঃ
ধাতব বালতি , হোজরিল এবং অগ্নিনির্বাপক
শ্রম বিধিমালা ৫৫(১ – ১৩) ও ইপিজেড বিধিমালা ৪৫(১-১৩) অনুযায়ী,
(১) আইনের ধারা ৩৫(২) (৬) এর উদ্দেশ্যপূরণকল্পে প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের প্রতি তলায় প্রতি ১০০০ (এক হাজার) বর্গমিটার আয়তনের মেঝের জন্য ২০০ (দুই শত) লিটার ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন পানি ভর্তি একটি ড্রাম এবং ১০ (দশ) লিটার ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন ৪ (চার) টি করিয়া ধাতব পদার্থ দ্বারা নির্মিত লাল রংয়ের খালি বালতি ঝুলন্ত অবস্থায় সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করিতে হইবে এবং প্রতিটি বালতি
(ক) বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী যথাযথ মানের হইতে হইবে;
(খ) পরিদর্শক কর্তৃক অনুমোদিত অবস্থানে রাখিতে হইবে এবং অগ্নি নির্বাপণ ব্যতীত অন্য কোনো কাজে ব্যবহৃত হইবে না এবং ‘অগ্নি নির্বাপণের জন্য ব্যবহার্য’ লিখা সংবলিত হইতে হইবে;
(গ) কেবল দাহ্য তরল বা অন্য পদার্থ হইতে কোনো স্থানে আগুন লাগিবার ঝুঁকি থাকিলে এবং উক্ত স্থানে পানি ব্যবহারযোগ্য না হইলে এইরূপ ক্ষেত্রে উক্ত স্থানে অগ্নি নির্বাপণের জন্য সর্বদা বালতি ভর্তি বা অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রাখিতে হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, প্রতিষ্ঠান ফায়ার হাইড্রেন্ট অথবা স্প্রিঙ্কলার দ্বারা সুরক্ষিত হইলে উপরিউক্ত বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে না;
(ঘ) প্রত্যেক ভবনে প্রতি ৮৫০ (আটশত পঞ্চাশ) বর্গমিটার স্থানের জন্য প্রতি তলায় বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী একটি হোজরিল পরিদর্শক কর্তৃক অনুমোদিত স্থানে স্থাপন করিতে হইবে ও উহাতে অবারিত পানির সংযোগ থাকিবে এবং প্রতি বৎসর অন্যূন একবার উহা পরীক্ষার ব্যবস্থা করিতে হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক অগ্নি নির্বাপণের বিকল্প ব্যবস্থা সম্পর্কে নিশ্চিত হইলে উহা লিখিতভাবে সংরক্ষণপূর্বক কোনো প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এই দফার বিধান প্রতিপালন শিথিল করিতে পারিবেন।
অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রপাত্রি (Fire Extinguisher)
(২) ৯০ বর্গমিটার অধিক আয়তনের মেঝে বিশিষ্ট প্রতিষ্ঠানের এবং যেখানে দাহ্য তরল, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম এবং দাহ্য ধাতু ব্যতীত অন্য দাহ্য বস্তু হইতে আগুন লাগিতে পারে সেখানে উপ-বিধি (১) এ উল্লিখিত নির্ধারিত বালতির অতিরিক্ত প্রতি ৯০ বর্গমিটার স্থানের জন্য একটি ড্রাই কেমিক্যাল পাউডার অগ্নিনির্বাপক বা অনুরূপ ধরনের বহনযোগ্য অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র রাখিতে হইবে।
(৩) যে সব প্রতিষ্ঠানে দাহ্য তরল হইতে বা গ্লোজ বা পেইন্ট হইতে আগুন লাগিতে পারে, সেখানে উপ-বিধি (২) এ বর্ণিত মাত্রায় অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র রাখিতে হইবে এবং সেইগুলি ফোম টাইপ, ড্রাই কেমিক্যাল পাউডার (এ বি সি টাইপ), কার্বন-ডাই-অক্সাইড, অগ্নিনির্বাপক বা অনুরূপ ধরনের হইতে হইবে।
(8) যেসব প্রতিষ্ঠানে বৈদ্যুতিক যন্ত্রাদি হইতে আগুন লাগিবার সম্ভাবনা থাকে সেইখানে উপ-বিধি (২) এ বর্ণিত মাত্রায় অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র রাখিতে হইবে এবং উহা কার্বন-ডাই-অক্সাইড, ড্রাই ক্যামিকেল পাউডার নির্মিত বা অনুরূপ পদার্থ সম্বলিত হইতে হইবে।
তবে ইপিজেড ইপিজেড বিধিমালা ৪৫(৪) আরও বলা হয়েছে যে,
বয়লার রুম, জেনারেটর রুম, বৈদ্যুতিক প্রধান সাব-স্টেশন কক্ষে কমপক্ষে ২৫ (পঁচিশ) কেজি ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন ট্রলি সিস্টেম ফোম টাইপ, ড্রাই কেমিক্যাল পাউডার (এ, বি ও সি টাইপ) ও কার্বন-ডাই-অক্সাইড স্থাপন করিতে হইবে।
(৫) যে সব প্রতিষ্ঠানে ম্যাগনেশিয়াম, এ্যালুমিনিয়াম বা জিংক-এর গুঁড়া বা চাঁচ অথবা অন্য দাহ্য ধাতু হইতে আগুন লাগিবার সম্ভাবনা থাকে সেইখানে কার্বন-ডাই-অক্সাইড বা ফোম টাইপের অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ব্যবহার করা যাইবে না এবং সেইখানে আগুন নিভানোর জন্য ড্রাই কেমিক্যাল পাউডার (‘ডি’ টাইপ), পর্যাপ্ত পরিষ্কার মিহি শুকনা বালি, পাথরের গুঁড়া এবং অন্য অদাহ্য পদার্থ মজুদ রাখিতে হইবে।
(৬) প্রত্যেক বহনযোগ্য অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র পরিদর্শক কর্তৃক অনুমোদিত স্থানে স্থাপন করিয়া রাখিতে হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, মহাপরিদর্শক যেক্ষেত্রে এইরূপ অভিমত প্রদান করেন যে, প্রতিষ্ঠানের ভবন বা কক্ষে অগ্নিনির্বাপণী কর্তৃপক্ষ (ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর) দ্বারা অনুমোদিত এবং স্বীকৃত পন্থায় পর্যাপ্ত স্বয়ংক্রিয় অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হইয়াছে এবং সেইখানে এই উপ-বিধির শর্ত শিথিল করা যাইতে পারে, সেই ক্ষেত্রে তিনি উক্ত ভবন বা কক্ষের ব্যাপারে যে পরিমাণে উক্ত শর্ত শিথিল করা হইয়াছে উহা লিখিতভাবে উল্লেখপূর্বক এই মর্মে একটি প্রত্যয়নপত্র প্রদান করিতে পারিবেন।
(৭) উপ-বিধি (২) এ বর্ণিত প্রতিটি অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র-
(ক) এমন সুদৃশ্য স্থানে স্থাপন করিতে হইবে যেন সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে;
(খ) তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবহারের জন্য সকল অংশ হইতে প্রবেশযোগ্য স্থানে স্থাপন করিতে হইবে;
(গ) যতদূর সম্ভব প্রত্যেক ফ্লোরের বর্হিগমন হইবার পথ (Exit) অথবা সিঁড়ির ভূসংযোগস্থল (Stair Landing) এর নিকটবর্তী স্থানে স্থাপন করিতে হইবে, তবে লক্ষ্য রাখিতে হইবে যেন কোন অবস্থাতেই জরুরি নির্গমন বাঁধাগ্রস্থ না হয়;
(ঘ) প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, দেওয়াল (supporting wall) অথবা কাঠের, ধাতব ও প্লাস্টিকের তৈরি কেবিনেটে এমনভাবে স্থাপন করিতে হইবে যেন অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের তলদেশ ভূসমতল (ground leval) হইতে ১০০০ মিলিমিটার উপরে হয়:
(ঙ) প্রত্যেক ফ্লোরের একই স্থানে স্থাপন করিতে হইবে;
(চ) ভবনের অগ্নি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা যেমন-রান্নাঘর, জনবহুল এলাকা (crowded area), গুদাম, বৈদ্যুতিক বিভাজন পয়েন্ট, দাহ্যবস্তু সম্বলিত এলাকা, ইত্যাদি স্থানে স্থাপন করিতে হইবে এবং উহা বহনযোগ্য (portable) অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র হইতে হইবে;
(৮) প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের ভবনের প্রত্যেক ফ্লোরে সহজে দৃশ্যমান এক বা একাধিক স্থানে বহির্গমন পথের নকশা (Evacuation Plan) প্রদর্শনের ব্যবস্থা রাখিতে হইবে।
(৯) প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানে প্রত্যেক টাইপের অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের জন্য যথেষ্ট পরিমাণ স্পেয়ার চার্জ মজুত রাখিতে হইবে এবং প্রয়োজনে ব্যবহার করা যায় এমন অবস্থায় সর্বাধিক স্পেয়ার চার্জ সর্বদা মজুত এবং প্রস্তুত রাখিতে হইবে।
প্রশিক্ষণপাপ্ত দল
(১০) যতদূর সম্ভব প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেক শ্রমিককে, অন্তত প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেক বিভাগে নিযুক্ত শ্রমিকদের কমপক্ষে ১৮% শ্রমিককে অগ্নিনির্বাপণ জরুরি উদ্ধার ও প্রাথমিক চিকিৎসা এবং বহনযোগ্য অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের ব্যবহার সম্পর্কে প্রশিক্ষণ প্রদান করিতে হইবে এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শ্রমিকদের মধ্য হইতে অগ্নিনির্বাপক দল, উদ্ধারকারী দল ও প্রাথমিক চিকিৎসা দল (প্রতি দলে ৬% সদস্য) গঠন করিয়া নিরাপত্তা নিশ্চিত করিতে হইবে এবং ফরম-২২ অনুযায়ী এতদসম্পকির্ত রেকর্ড সংরক্ষণ করিতে হইবে।
(১১) অগ্নিনির্বাপণ, উদ্ধারকারী ও প্রাথমিক চিকিৎসা দলকে কাজ চলাকালীন অবশ্যই নির্ধারিত পোশাক পরিধান করিতে হইবে এবং উক্ত পোশাক হইবে নিম্নরূপ, যথা:-
(ক) অগ্নিনির্বাপণ দল হলুদ রং এর এপ্রোণ পিছনে লাল রং এ ‘আগুন’ (Fire) লিখা থাকিবে;
(খ) উদ্ধারকারী দল হলুদ রং এর এপ্রোণ পিছনে লাল রং এ ‘উদ্ধার’ (Rescue) লিখা থাকিবে:
(গ) সাদা রং এর এপ্রোণ পিছনে লাল রং এ ‘প্রাথমিক প্রাথমিক চিকিৎসা দল চিকিৎসা’ (First Aid) লিখা থাকিবে।
ফায়ার সেফটি অফিসার
(১২) কমপক্ষে ৩০০ জন (ইপিজেড আইন এ ইহা এখনো ৫০০ জন) শ্রমিক কর্মরত এইরূপ সকল প্রতিষ্ঠান বা কারখানায় একজন ট্রেনিংপ্রাপ্ত সেইফটি কর্মকর্তা রাখিতে হইবে যাহার দায়িত্ব হইবে সব অগ্নিনির্বাপক সরঞ্জামাদির যথাযথ সংরক্ষণ ও প্রস্তুত রাখা এবং উপ-বিধি ১০ এ উল্লিখিত তিনটি দলকে প্রতি ছয় মাস অন্তর পুনঃপ্রশিক্ষণ প্রদান করা।
(১৩) প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠান বা কারখানায় আগুন লাগিলে যে ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে এবং অগ্নিনির্বাপক বিধিমালার যথাযথ কার্যকরীকরণের জন্য একটি বিস্তারিত ‘অগ্নিনির্বাপণী পরিকল্পনা’ প্রস্তুত করিবেন।
অগ্নিনির্বাপণ ও দুর্ঘটনার সময় জরুরি নির্গমনের মহড়ার আয়োজন
শ্রম বিধিমালা ৫৫(১৪) অনুযায়ী
(১৪) ধারা ৬২(৮) অনুসারে প্রতি ছয় মাসে অন্তত একবার অগ্নিনির্বাপণ ও দুর্ঘটনার সময় জরুরি নির্গমনের মহড়ার আয়োজন করিতে হইবে এবং ফরম-২২ (ক) অনুযায়ী রেকর্ডবুক সংরক্ষণ করিতে হইবে এবং মহড়া আয়োজনের কমপক্ষে ১৫ দিন পূর্বে সংশ্লিষ্ট পরিদর্শক এবং নিকটস্থ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনকে লিখিতভাবে অবহিত করিতে হইবে।
কিন্তু ইপিজেড বিধি ১০৪ অনুযায়ী
(১) প্রত্যেক শিল্প প্রতিষ্ঠানে প্রতি ৩ (তিন) মাসে অন্তত একবার অগ্নিনির্বাপণ ও দুর্ঘটনার সময় জরুরি নির্গমনের মহড়ার আয়োজন করিতে হইবে এবং তৎসম্পর্কিত তথ্য প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক ফরম-৩৬ এ অন্তর্ভুক্ত করিতে হইবে।
(২) মহড়া আয়োজনের কমপক্ষে ১৫ (পনেরো) দিন পূর্বে অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক এবং নিকটস্থ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনকে লিখিতভাবে অবহিত করিতে হইবে।
জলাধারের ব্যবস্থার শর্তসমূহ
শ্রম বিধিমালা ৫৫(১৫ – ১৮) ও ইপিজেড বিধি ৪৫ (১৪ – ১৮) অনুযায়ী,
- প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানে অগ্নি নির্বাপণের প্রয়োজনে অন্তত ৫০০০ লিটার ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন [ইপিজেড বিধি ৪৫ (১৪) অনুযায়ী অন্তত ২০ (বিশ) হাজার গ্যালন ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন জলাধার অথবা Bangladesh National Building Code (BNBC), 2020 অনুযায়ী অন্তত ২০ (বিশ) হাজার গ্যালন ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন জলাধার অথবা Bangladesh National Building Code (BNBC), 2020 অনুযায়ী] একটি জলাধারের ব্যবস্থা থাকিতে হইবে এবং উহা সব সময় পানি দ্বারা পূর্ণ থাকিতে হইবে এবং হোজরিলের সহিত সংযুক্ত রাখিতে হইবে এবং উক্ত জলাধার ভবনের কাঠামোর উপর কোন প্রকার চাপ বা ঝুঁকি সৃষ্টি করিতে পারিবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, একই ভবনে একাধিক প্রতিষ্ঠান থাকিলে প্রতিষ্ঠানের মালিকগণ এবং ভবন মালিক সম্মিলিতভাবে উপরি-উক্ত পদ্ধতিতে জলাধার স্থাপন করিতে পারিবেন।
- প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানে অগ্নিনির্বাপণের প্রয়োজনে একটি জলাধারের ব্যবস্থা থাকিতে হইবে এবং উহা সর্বদা পানি দ্বারা পূর্ণ থাকিতে হইবে যাহা হোজরিলের সহিত সংযুক্ত রাখিতে হইবে এবং উক্ত জলাধার ভবনের কাঠামোর উপর কোনো প্রকার চাপ বা ঝুঁকি সৃষ্টি করিতে পারিবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, একই ভবনে একাধিক প্রতিষ্ঠান থাকিলে প্রতিষ্ঠানের মালিক এবং ভবন মালিক সম্মিলিতভাবে উপরিউক্ত পদ্ধতিতে জলাধার স্থাপন করিতে পারিবে।
- একই এলাকায় পাশাপাশি ভবনে অবস্থিত কয়েকটি কারখানা বা প্রতিষ্ঠানের মালিকগণ কর্তৃক যৌথভাবে একটি সুবিধাজনক স্থানে অগ্নি নির্বাপণের লক্ষ্যে ইচ্ছা করিলে যৌথভাবে প্রত্যেক কারখানা বা প্রতিষ্ঠানের সহিত পাইপের মাধ্যমে সংযুক্ত করিয়া যান্ত্রিক গভীর নলকূপ (Deep tubewell) বা বৈদ্যুতিক পাম্পযুক্ত জলাধারের ব্যবস্থা করিতে পারিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, এই ক্ষেত্রে মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শক উপ-বিধি (১৫) প্রতিপালন হইতে অব্যাহতি প্রদান করিতে পারিবেন।
- উল্লিখিত গভীর নলকূপ বা জলাধার ব্যবস্থার পরিকল্পনা ও নক্সা মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শকের অনুমোদনক্রমে স্থাপন করিতে হইবে।
- এই বিধিতে বর্ণিত বিষয়াদি প্রতিপালন করিবার ক্ষেত্রে অগ্নি প্রতিরোধ ও নির্বাপণ আইন, ২০০৩ এবং তদধীন প্রণীত বিধিমালা অনুযায়ী আরো কোন কিছু প্রতিপালন করা প্রতিভাত হইলে উহা সম্পাদন করিতে হইবে।
- প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত পরিমাণে অন্যান্য অগ্নি নির্বাপণী ও উদ্ধারকারী যন্ত্রপাতি (যেমন: ফায়ার ব্লাঙ্কেট, ফায়ার বিটার, হক, ফায়ার বুট, হেলমেট, ফায়ার ড্রেস ইত্যাদি) রাখিতে হইবে। ইপিজেড বিধি ৪৫ (১৭)