উত্তরঃ বাংলাদেশ শ্রম আইন এর ধারা ৪৯ এর (১) ও (২) , ইপিজেড আইন এর ধারা ৩৩ এর (১)ও (২) এবং বিধি ৩৭ এর (১) ও (২) অনুযায়ী, দুইভাবে বিষয়টি উপস্থাপন করা হয়েছে,
উপধারা (১) এ শিশু সন্তানটি যদি বাঁচিয়া থাকে কথাটি বলা হয়েছে কিন্তু , উপধারা (২) এ সন্তান প্রসবের পূর্বে মারা যাওযার কথা উল্লেখ করে নিম্মরুপে ব্যাখ্যা করা হয়েছে,
উপধারা (১): নারী সন্তান প্রসবকালে অথবা উহার পরবর্তী ৬০ (ষাট) দিন [শ্রম আইন অনুযায়ী) / ৮ (আট) সপ্তাহ (ইপিজেড আইন অনুযায়ী] এর মধ্যে মৃত্যুবরণ করিলে মালিক, শিশু সন্তানটি যদি বাঁচিয়া থাকে, যে ব্যক্তি শিশুর তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন তাহাকে, এবং, যদি শিশু সন্তান জীবিত না থাকে, তাহা হইলে এই অধ্যায়ের অধীন নারীর মনোনীত ব্যক্তিকে অথবা কোন মনোনীত ব্যক্তি না থাকিলে মৃত নারীর আইনগত প্রতিনিধকে উক্তরূপ সুবিধা প্রদান করিবেন।
উপধারা (২): যদি উক্তরূপ কোন নারী প্রসূতি কল্যাণ সুবিধা পাওয়ার অধিকারী হওয়ার সময় সীমার মধ্যে কিন্তু সন্তান প্রসবের পূর্বে মারা যান, তাহা হইলে মালিক উক্ত নারীর মৃত্যুর তারিখসহ তৎপূর্ববর্তী সময়ের জন্য উক্তরূপ সুবিধা প্রদান করিতে বাধ্য থাকিবেন, তবে ইতিমধ্যে প্রদত্ত উক্তরূপ সুবিধা যদি প্রদেয় সুবিধা হইতে বেশী হয়, তাহা হইলেও উহা আর ফেরত লইতে পারিবেন না, এবং নারীর মৃত্যুর সময় পর্যন্ত যদি মালিকের নিকট এই বাবদ কিছু পাওনা থাকে, তাহা হইলে তিনি এই অধ্যায়ের অধীন নারীর কোন মনোনীত ব্যক্তিকে, অথবা কোন মনোনীত ব্যক্তি না থাকিলে, তাহার আইনগত প্রতিনিধকে উহা প্রদান করিবেন।