উত্তরঃ সর্বশেষ শ্রম বিধি ও শ্রম আইন ২০২৬ সংশোধনীর ফলে , প্রসূতি কল্যান সুবিধার হিসেব পদ্ধদিতে শ্রম আইন ও ইপিজেড আইনে পার্থক্য বিদ্যমান হয়েছে।
এক্ষেত্রে বাংলাদেশ শ্রম আইন এর ধারা ৪৮(২) ও শ্রম বিধি ৩৯(ক) অনুযায়ী,
দৈনিক গড় মজুরি গণনার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রসূতি কর্তৃক তাহার ধার্যকৃত মাসিক মোট মজুরিকে ২৬ (ছাব্বিশ) দ্বারা ভাগ করিতে হইবে।
প্রতিষ্ঠানে ভবিষ্য তহবিলের বিধান থাকিলে প্রসূতি কল্যাণ সুবিধাভোগীর ভবিষ্য তহবিলে প্রদেয় চাঁদা তাহার প্রাপ্য সুবিধা হইতে আইনের বিধান অনুযায়ী কর্তন করিতে হইবে।”
ইপিজেড আইন এর ধারা ৩২ ও বিধি ৩৬ অনুযায়ী ,
দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক গড় মজুরি গণনার জন্য সংশ্লিষ্ট মহিলা শ্রমিক কর্তৃক এই অধ্যায়ের অধীন নোটিশ প্রদানের অব্যবহিত পূর্ববর্তী ৩ (তিন) মাসে তাহার প্রাপ্ত মোট মজুরিকে উক্ত সময়ে তাহার মোট প্রকৃত কাজের দিনগুলি দ্বারা ভাগ করিয়া যে হার নিরূপিত হইবে উহা তাহার দৈনিক মজুরি হিসাবে গণ্য হইবে।
আরও শর্ত থাকে যে, প্রসূতি কল্যাণ সুবিধার মোট মজুরি গণনার ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী ৩ (তিন) মাসের মধ্যে মহিলা শ্রমিককে প্রদেয় অর্জিত বার্ষিক ছুটি নগদায়নের অর্থ বা উৎসব বোনাসের অর্থ যুক্ত হইবে না।
যদিও সর্বশেষ শ্রম বিধি ও শ্রম আইন ২০২৬ সংশোধনীর পূর্বে ইপিজেড আইন ও শ্রম আইন এর প্রসুতি কল্যান হিসেবের পদ্ধতি একই ছিল।
তবে অর্জিত বার্ষিক ছুটি নগদায়নের অর্থ বা উৎসব বোনাসের অর্থ যুক্ত হইবে কিনা এ বিষয়ে শ্রম আইনে স্পষ্টীকরন ছিলনা বলে উক্ত অর্থ ও ০৩ মাসের প্রাপ্ত মজুরীর হিসেব যুক্ত করা হত।