ধারা – তৃতীয় তফসিল

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

তৃতীয় তফসিল

[খারা ১৫০ (৩) দ্রষ্টব্য)

পেশাগত ব্যাধির তালিকা

ক-অংশ

১। কর্মক্ষেত্রের কার্যক্রম হইতে উদ্বৃত উপাদানগুলোর সংস্পর্শে সৃষ্ট পেশাগত রোগসমূহ

১.১। রাসায়নিক উপাদান দ্বারা সৃষ্ট রোগ

১.১.১। বেরিলিয়াম বা এর যৌগ দ্বারা সৃষ্ট রোগ

১.১.২। ক্যাডমিয়াম বা এর যৌগ দ্বারা সৃষ্ট রোগ

১.১.৩। ফসফরাস বা এর যৌগ দ্বারা সৃষ্ট রোগ

১.১.৪। ক্রোমিয়াম বা এর যৌগ দ্বারা সৃষ্ট রোগ

১.১.৫। স্যাঙ্গানিজ বা এর যৌগ দ্বারা সৃষ্ট রোগ

১.১.৬। আর্সেনিক বা এর যৌগ দ্বারা সৃষ্ট রোগ

১.১.৭। পারদ বা এর যৌগ দ্বারা সৃষ্ট রোগ

১.১.৮। সীসা বা এর যৌগ দ্বারা সৃষ্ট রোগ

১.১.৯। ফ্লুরিন বা এর যৌগ দ্বারা সৃষ্ট রোগ

১.১.১০। কার্বন ডিসালফাইড দ্বারা সৃষ্ট রোগ

১.১.১১। অ্যালিফ্যাটিক বা অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বনের হ্যালোজেন ডেরিভেটিভ দ্বারা সৃষ্ট রোগ

১.১.১২। বেনজিন বা তার সমজাতীয় যৌগ দ্বারা সৃষ্ট রোগ

১.১.১৩। বেনজিন বা তার সমজাতীয় যৌগের নাইট্রো ও অ্যামিনো ডেরিভেটিভ দ্বারা সৃষ্ট রোগ

১.১.১৪। নাইট্রোগ্লিসারিন বা অন্যান্য নাইট্রিক অ্যাসিড ইস্টার দ্বারা সৃষ্ট রোগ

১.১.১৫। অ্যালকোহল, গ্লাইকোল বা কিটোন দ্বারা সৃষ্ট রোগ

১.১.১৬। দমবন্ধকারী গ্যাস যেমনঃ কার্বন মনো-অক্সাইড, হাইড্রোজেন সালফাইড, হাইড্রোজেন সায়ানাইড বা এর ডেরিভেটিভ

১.১.১৭। অ্যাক্রিলোনাইট্রাইল দ্বারা সৃষ্ট রোগ

১.১.১৮। নাইট্রোজেন অক্সাইড দ্বারা সৃষ্ট রোগ

১.১.১৯। ভ্যানেডিয়াম বা এর যৌগ দ্বারা সৃষ্ট রোগ

১.১.২০। অ্যান্টিমনি বা এর যৌগ দ্বারা সৃষ্ট রোগ

১.১.২১। হেক্সেন দ্বারা সৃষ্ট রোগ

১.১.২২। খনিজ অ্যাসিড দ্বারা সৃষ্ট রোগ

১.১.২৩। ফার্মাসিউটিক্যাল উপাদান দ্বারা সৃষ্ট রোগ

১.১.২৪। নিকেল বা এর যৌগ দ্বারা সৃষ্ট রোগ

১.১.২৫। থ্যালিয়াম বা এর যৌগ দ্বারা সৃষ্ট রোগ

১.১.২৬। ওসমিয়াম বা এর যৌগ দ্বারা সৃষ্ট রোগ

১.১.২৭। সেলেনিয়াম বা এর যৌগ দ্বারা সৃষ্ট রোগ।

১.১.২৮। কপার বা এর যৌগ দ্বারা সৃষ্ট রোগ

১.১.২৯। প্লাটিনাম বা এর যৌগ দ্বারা সৃষ্ট রোগ

প্রথম তফসীল বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ৬৫ নং অধ্যাদেশ) এর ৯2 ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

১.১.৩০। টিন বা এর যৌগ দ্বারা সৃষ্ট রোগ

১.১.৩১। জিঙ্ক বা এর যৌগ দ্বারা সৃষ্ট রোগ

১.১.৩২। ফসজিন দ্বারা সৃষ্ট রোগ

১.১.৩৩। বেঞ্জোকুইনোন-এর মতো কর্নিয়া উত্তেজক দ্বারা সৃষ্ট রোগ

১.১.৩৪। অ্যামোনিয়া দ্বারা সৃষ্ট রোগ

১.১.৩৫। আইসোসায়ানেট দ্বারা সৃষ্ট রোগ

১.১.৩৬। কীটনাশক দ্বারা সৃষ্ট রোগ

১.১.৩৭। সালফার অক্সাইড দ্বারা সৃষ্ট রোগ

১.১.৩৮। জৈব দ্রাবক দ্বারা সৃষ্ট রোগ

১.১.৩৯। ল্যাটেক্স বা ল্যাটেক্সযুক্ত পণ্য দ্বারা সৃষ্ট রোগ

১.১.৪০। ক্লোরিন দ্বারা সৃষ্ট রোগ

১.১.৪১। অন্যান্য রাসায়নিক উপাদান (যা উপরোক্ত তালিকায় নেই) যাহা কর্মক্ষেত্র থেকে উদ্ভূত এবং বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত বা জাতীয় প্রেক্ষাপটে নির্ধারিত পদ্ধতিতে সম্পর্কিত রোগ সৃষ্টি করে

১.২। শারীরিক উপাদান (ফিজিক্যাল এজেন্ট) দ্বারা সৃষ্ট রোগ:-

১.২.১। শব্দ দ্বারা শ্রবণক্ষমতা হ্রাস

১.২.২। কম্পন দ্বারা সৃষ্ট রোগ (পেশি, টেন্ডন, হাড় জয়েন্ট, স্নায়ু বা রক্তনালীর ব্যাধি)

১.২.৩। চাপে বা কম চাপে বায়ুর সংস্পর্শে সৃষ্ট রোগ

১.২.৪। আয়নাইজিং রেডিয়েশন দ্বারা সৃষ্ট রোগ

১.২.৫। অপটিক্যাল রেডিয়েশন (UV, দৃশ্যমান আলো, ইনফ্রারেড) সহ লেজার দ্বারা সৃষ্ট রোগ

১.২.৬। চরম তাপমাত্রার সংস্পর্শে সৃষ্ট রোগ

১.২.৭। অন্যান্য শারীরিক উপাদান যাহা পূর্বের তালিকায় নেই, কিন্তু বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত

১.৩। জীবাণু ও সংক্রমণ/পরজীবী রোগসমূহ:-

১.৩.১। ব্রুসেলোসিস

১.৩.২। হেপাটাইটিস ভাইরাস

১.৩.৩। এইচআইভি

১.৩.৪। টিটেনাস

১.৩.৫। যক্ষ্মা

১.৩.৬। ব্যাকটেরিয়া বা হছত্রাক দ্বারা সৃষ্ট টক্সিক বা প্রদাহজনক সিনড্রোম

১.৩.৭। অ্যানঘ্রাক্স

১.৩.৮। লেপ্টোস্পাইরোসিস

১.৩.৯। অন্যান্য জৈব উপাদান দ্বারা সৃষ্ট রোগ যেখানে বৈজ্ঞানিক প্রমাণ রয়েছে

খ-অংশ

২। অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অনুযায়ী পেশাগত রোগসমূহ:-

২.১। শ্বাসতন্ত্রের রোগ

২.১.১. ফাইব্রোজেনিক খনিজ ধুলা দ্বারা সৃষ্ট নিউমোকোনিওসিস (সিলিকোসিস, অ্যানথ্রাকো-সিলিকোসিস, অ্যাসবেস্টোসিস)

২.১.২. সিলিকোটিউবারকুলোসিস

২.১.৩. অ-ফাইব্রোজেনিক খনিজ ধুলা দ্বারা সৃষ্ট নিউমোকোনিওসিস

২.১.৪. সাইডেরোসিস

২.১.৫. হার্ড-মেটাল ধুলা দ্বারা সৃষ্ট ব্রঙ্কোপালমোনারি রোগ

২.১.৬. তুলা (বাইসিনোসিস), ফ্ল্যাক্স, হেম্প, সিসাল বা আখের ধুলা (বাগাসোসিস) দ্বারা সৃষ্ট ব্রঙ্কোপালমোনারি রোগ

২.১.৭. স্বীকৃত সংবেদনশীলতা সৃষ্টিকারী উপাদান দ্বারা সৃষ্ট কর্ম-সম্পর্কিত হাঁপানি

২.১.৮. জৈব ধুলা বা মাইক্রোবায়াল দুষিত অ্যারোসল শ্বাস নেওয়ার ফলে সৃষ্ট এক্সট্রিনসিক অ্যালার্জিক অ্যালভিওলাইটিস

২.১.৯. কয়লা ধুলা, পাথরের খনি ধুলা, কাঠের ধুলা, শস্য ও কৃষি কাজের ধুলা, পশু খামারের ধুলা, টেক্সটাইল ও কাগজের ধুলা শ্বাস নেওয়ার ফলে সৃষ্ট দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসকষ্টজনিত রোগ

২.১.১০. অ্যালুমিনিয়াম দ্বারা সৃষ্ট ফুসফুসের রোগ

২.১.১১. উপরের শ্বাসনালির রোগ, স্বীকৃত সংবেদনশীলতা সৃষ্টিকারী উপাদান দ্বারা সৃষ্ট

২.১.১২. অন্যান্য শ্বাসযন্ত্রের রোগ যেখানে বৈজ্ঞানিকভাবে বা প্রাসঙ্গিক পদ্ধতিতে সরাসরি সম্পর্ক স্থাপন করা হয়েছে

২.২। চর্মরোগ:-

২.২.১. কর্মক্ষেত্র থেকে উদ্ভূত স্বীকৃত অ্যালার্জি সৃষ্টিকারী উপাদান দ্বারা সৃষ্ট অ্যালার্জিক কনট্যাক্ট ডার্মাটোসিস ও কনট্যাক্ট আউটিকারিয়া

২.২.২. কর্মক্ষেত্র থেকে উদ্ভূত স্বীকৃত সংবেদনশীল উপাদান দ্বারা সৃষ্ট ইরিট্যান্ট কনট্যাক্ট ডার্মাটোসিস

২.২.৩. কর্মক্ষেত্র থেকে উদ্ভূত স্বীকৃত উপাদান দ্বারা সৃষ্ট ভিটিলিগো

২.৩.৪. অন্যান্য চর্মরোগ যাহা শারীরিক, রাসায়নিক বা জৈবিক উপাদানের সংস্পর্শে হয় এবং বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত

২.৩। মাস্কিউলোস্কেলেটাল রোগ:-

২.৩.১. কবজির অতিরিক্ত বা জোরালো চলাচল ও চরম ভঙ্গির কারণে রেডিয়াল স্টাইলয়েড টেনোসাইনোভাইটিস

২.৩.২. হাত ও কবজির দীর্ঘস্থায়ী টেনোসাইনোভাইটিস

২.৩.৩. কনুইয়ে দীর্ঘ সময় চাপের কারণে ওলেক্রানন বার্সাইটিস

২.৩.৪. দীর্ঘ সময় হাঁটু গেড়ে বসে থাকার কারণে প্রিপ্যাটেলার বার্সাইটিস

২.৩.৫. অতিরিক্ত জোরালো বা পুনরাবৃত্ত কাজের কারণে এপিকন্ডাইলাইটিস

২.৩.৬. হাঁটু গেঁড়ে বা বসে কাজ করার ফলে মেনিস্কাসে ক্ষতি

২.৩.৭. বারবার জোরালো কাজ, কম্পনযুক্ত কাজ বা কবজির চরম ভঙ্গির ফলে কার্পাল টানেল সিনড্রোম

২.৩.৮. অন্যান্য মাস্কিউলোস্কেলেটাল রোগ যেখানে বৈজ্ঞানিকভাবে কর্মঝুঁকির সহিত সংযোগ স্থাপন করা হয়েছে

২.৪। মানসিক ও আচরণগত ব্যাধি:-

২.৪.১। পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডার

২.৪.২। অন্যান্য মানসিক বা আচরণগত ব্যাধি

৩। পেশাগত ক্যান্সার

৩.১। নিম্নোক্ত উপাদান দ্বারা সৃষ্ট ক্যান্সার, যথা:-

৩.১.১. অ্যাসবেস্টস

৩.১.২. বেনজিডিন এবং এর লবণ

৩.১.৩. বিস-ক্লোরোমিথাইল ইথার (BCME)

৩.১.৪. ক্রোমিয়াম VI যৌগ

৩.১.৫. কয়লা টার, কয়লা টার পিচ অথবা সোয়েট

৩.১.৬. বিটা-ন্যাফথাইলামিন

৩.১.৭. ভিনাইল ক্লোরাইড

৩.১.৮. বেনজিন

৩.১.৯. বেনজিন বা এর সমজাতীয় যৌগের বিষাক্ত নাইট্রো ও অ্যামিনো ডেরিভেটিভ

৩.১.১০. আয়নাইজিং রেডিয়েশন

৩.১.১১. টার, পিচ, বিটুমেন, মিনারেল অয়েল, অ্যানথ্রাসিন বা এসবের যৌগ/উৎপাদ বা অবশিষ্টাংশ

৩.১.১২. কোক ওভেন নির্গমন

৩.১.১৩. নিকেল যৌগ

৩.১.১৪. কাঠের ধুলা

৩.১.১৫. আর্সেনিক ও এর যৌগ

৩.১.১৬. বেরিলিয়াম ও এর যৌগ

৩.১.১৭. ক্যাডমিয়াম ও এর যৌগ

৩.১.১৮. ইরিওনাইট

৩.১.১৯. ইথিলিন অক্সাইড

৩.১.২০. হেপাটাইটিস বি ও সি ভাইরাস

৩.১.২১. অন্যান্য উপাদান দ্বারা সৃষ্ট ক্যান্সার যেখানে কর্মসংক্রান্ত সংযোগ প্রমাণিত হয়েছে

৪। অন্যান্য রোগ

৪.১। খনি শ্রমিকদের নিস্ট্যাগমাস

৪.২। অন্যান্য নির্দিষ্ট রোগ যাহা তালিকাভুক্ত নহে কিন্তু বৈজ্ঞানিকভাবে কর্মসংক্রান্ত সংস্পর্শে সৃষ্ট।

Get 30% off your first purchase

X
error: Content is protected !!