(১) দৈনিক, সাপ্তাহিক, পাক্ষিক বা মাসিক যেভাবেই মজুরি প্রদান করা হউক না কেন, সম্পূর্ণ মাসে শ্রমিককে দেয় মূল মজুরির ভিত্তিতে হিসাব করিয়া আইনের অধীন ভবিষ্য তহবিলে পরিশোধযোগ্য চাঁদার হার নির্ধারণ করিতে হইবে।
(২) মালিক সংশ্লিষ্ট শ্রমিকের মজুরি পরিশোধকালে তহবিলের চাঁদা বাবদ অর্থ কর্তন করিয়া উহা নিজের অংশসহ প্রত্যেক মাস শেষ হইবার পরবর্তী ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে তহবিলে জমা প্রদানের উদ্দেশ্যে ব্যাংক ড্রাফট বা চেকের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রক বরাবরে প্রেরণ করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, মফস্বলের কোন ব্যাংকের চেকের মাধ্যমে টাকা জমা প্রদান করা হইলে সেই ক্ষেত্রে চেক সংগ্রহের মাশুল বাবদ অর্থ যোগ করিয়া চেক প্রদান করিতে হইবে।
(৩) কোন কারণে বা ভুলবশত কোন মাসে শ্রমিকের দেয় চাঁদা কর্তন না হইয়া থাকিলে পরবর্তী মাসের মজুরি হইতে উহা কর্তন করা যাইবে এবং অনুরূপভাবে কোন মাসে নির্ধারিত হারের অতিরিক্ত কর্তন করা হইলে উহাও পরবর্তী মাসের চাঁদা কর্তনের সময় সমন্বয় করা যাইবে।
(8) কোন বাগানে মৌসুম বহির্ভূত সময়ে কোন শ্রমিককে প্রদত্ত রিটেইনার ভাতা এই বিধিমালার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে মজুরি হিসাবে গণ্য হইবে।
(৫) নিয়ন্ত্রক উপ-বিধি (২) মোতাবেক অর্থ প্রাপ্তির দশ দিনের মধ্যে উহার প্রাপ্তি স্বীকার করিবেন।
(৬) মাস শেষ হইবার পনের দিনের মধ্যে মালিক একটি সামগ্রিক মাসিক প্রতিবেদন নিয়ন্ত্রকের নিকট প্রেরণ করিবেন এবং উক্ত সামগ্রিক প্রতিবেদনে শ্রমিকের মাসিক মূল মজুরি উল্লেখসহ প্রত্যেক শ্রমিকের নিকট হইতে কর্তনকৃত চাঁদা ও উক্ত শ্রমিকের খাতে মালিকের প্রদত্ত অংশ এবং প্রশাসনিক ব্যয় হিসাবে মালিকের প্রদত্ত অর্থের পরিমাণ প্রদর্শন করিতে হইবে।
(৭) ভবিষ্য তহবিলে দেয় চাঁদা বাবদ কোন শ্রমিকের মজুরি হইতে কর্তনকৃত অর্থ নিয়ন্ত্রক প্রাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত উহা মালিকের হেফাজতে রহিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।