উত্তরঃ
বাংলাদেশ শ্রম আইন ৫৪ , শ্রম বিধি ৪৭ (১-৪) এবং ইপিজেড ৬৬ (১-৪) অনুযায়ী,
(১) সকল বর্জ্য ও তরল অপসারণের ব্যবস্থা পরিবেশ ও স্বাস্থ্য সংক্রান্ত দেশের প্রচলিত আইনানুগ বিধি-বিধান ও নির্দেশনা অনুযায়ী হইতে হইবে এবং গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে পরিবেশ ও সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র পরিদর্শকের নিকট দাখিল করিতে হইবে।
(২) উপ-বিধি (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, পরিদর্শক প্রয়োজন মনে করিলে শ্রমিকের স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করিয়া বর্জ্য অপসারণে অতিরিক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন।
(৩) তরল বর্জ্য ও পানি বহনকারী সকল নর্দমা অভেদ্য মাল-মশলা দ্বারা মজবুত ও টেকসইভাবে উপযুক্ত ঢাকনাযুক্ত অবস্থায় নির্মাণ করিতে হইবে যাহাতে নিয়মিত পানি প্রবাহ থাকিবে এবং উক্ত বর্জ্য দূষণমুক্ত করিয়া অপসারণ করিতে হইবে।
(8) উপরি-উক্ত উভয় বিষয়ে সন্তুষ্ট হইয়া পরিদর্শক উক্ত কারখানার বর্জ্য অপসারণে গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে অনুমোদন প্রদান করিবেন।
তবে ইপিজেড ৬৬(৫) বলা হয়েছে,
তরল বর্জ্য অন্তত মাসে ১ (এক) বার (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) পরীক্ষা করিতে হইবে। কিন্তু শ্রম আইনে মাসে বা বছরে কতবার পরীক্ষা করিতে হইবে উল্লেখ করা হয় নাই।
এক্ষেত্রে পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা, ২০২৩-এর বিধি ৬ ও ৭ (যেখানে বিভিন্ন শ্রেণির প্রকল্পের ছাড়পত্র গ্রহণের প্রক্রিয়া বর্ণিত) অনুযায়ী, অরেঞ্জ ও রেড ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত শিল্পগুলোকে প্রতি মাসে নিয়মিত মনিটরিং রিপোর্ট জমা দিতে হয়। এই রিপোর্টের অংশ হিসেবেই তরল বর্জ্য বা ইটিপি (ETP) আউটলেট থেকে নমুনা সংগ্রহ করে মাসে অন্তত একবার পরীক্ষা করানো একটি স্ট্যান্ডার্ড শর্ত হিসেবে ছাড়পত্রে উল্লেখ থাকে।
.
.
.
প্রশ্নঃ শ্রম আইন ও ইপিজেড আইন অনুযায়ী শ্রমিকদের পানি সরবরাহ করার শর্তসমূহ কি কি?