উত্তরঃ বাংলাদেশ শ্রম আইন অনুযায়ী ২৩(৪) এর দফা (ক – ঞ) পর্যন্ত মোট ১০টি এবং ইপিজেড আইন এর ধারা ২১ এর পূরনকল্পে এর বিধি ২৩ (১) এর দফা (ক – দ) পর্যন্ত মোট ১৮টি আচরনকে অসদাচরন হিসেব উল্লেখ করা হয়েছে।
যেখানে শ্রম আইন অনুযায়ী ২৩(৪) এর দফা (ক – ঞ) এবং ইপিজেড এর বিধি ২৩ (১) এর দফা (ক – ঞ) পর্যন্ত মোট ১০টি দফাগুলো প্রায়ই একই। যা নিম্মরুপ;
(ক) উপরস্থের কোন আইনসংগত বা যুক্তিসংগত আদেশ মানার ক্ষেত্রে এককভাবে বা অন্যের সঙ্গে সংঘবদ্ধ হইয়া ইচ্ছাকৃতভাবে অবাধ্যতা;
(খ) মালিকের ব্যবসা বা সম্পত্তি সম্পর্কে চুরি, আত্মসাৎ, প্রতারণা বা অসাধুতা;
(গ) মালিকের অধীন তাঁহার বা অন্য কোন শ্রমিকের চাকুরী সংক্রান্ত ব্যাপারে ঘুষ গ্রহণ বা প্রদান;
(ঘ) বিনা ছুটিতে অভ্যাসগত অনুপস্থিতি অথবা ছুটি না নিয়া এক সঙ্গে দশ দিনের অধিক সময় অনুপস্থিতি;
(ঙ) অভ্যাসগত বিলম্বে উপস্থিতি;
(চ) প্রতিষ্ঠানে প্রযোজ্য কোন আইন, বিধি বা প্রবিধানের অভ্যাসগত লঙ্ঘন;
(ছ) প্রতিষ্ঠানে উচ্ছৃংখলতা, দাংগা-হাংগামা, অগ্নিসংযোগ বা ভাংচুর;
(জ) কাজে-কর্মে অভ্যাসগত গাফিলতি;
(ঝ) প্রধান পরিদর্শক কর্তৃক অনুমোদিত চাকুরী সংক্রান্ত, শৃঙ্খলা বা আচরণসহ, যে কোন বিধির অভরসগত লঙ্ঘন;
(ঞ) মালিকের অফিসিয়াল রেকর্ডের রদবদল জালকরণ, অন্যায় পরিবর্তন, উহার ক্ষতিকরণ বা উহা হারাইয়া ফেলা।
ইপিজেড এর বিধি ২৩ (১) এর বাকী ০৮ টি দফা (ট – দ ) অসাদচরন হল নিম্মরুপ;
(ট) কারখানার নিষিদ্ধ এলাকায় ধূমপান করা;
(ঠ) কোম্পানি, প্রতিষ্ঠান, কারখানা বা ইপিজেডের অভ্যন্তরে মাদকদ্রব্য গ্রহণ বা সেবন ও উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করা;
(ড) যৌন হয়রানি করা বা শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা;
(ঢ) মালিকের অনুমোদন ব্যতীত কোম্পানি, প্রতিষ্ঠান বা কারখানা এলাকায় যে কোনো উদ্দেশ্যে অর্থ সংগ্রহ বা প্রচারকার্য পরিচালনা করা;
(ণ) নাম, বয়স, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং পূর্বতন চাকরি সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য প্রদান;
(ত) চাকরির আবেদনের ক্ষেত্রে মিথ্যা তথ্য প্রদান এবং সনদ জাল করা;
(থ) কোম্পানি, প্রতিষ্ঠান বা কারখানা এলাকার মধ্যে টাকা ধার দেয়া বা নেওয়া বা আর্থিক কোনো ব্যবসা পরিচালনা করা; এবং
(দ) যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতীত কোম্পানি, প্রতিষ্ঠান বা কারখানা এলাকার মধ্যে হ্যান্ডবিল, প্যাম্পপ্লেট বা পোস্টার বিতরণ বা প্রদর্শন করা।
এখানে বাংলাদেশ শ্রম আইন অনুযায়ী ২৩(৩) অনুযায়ী কোন শ্রমিককে ধারা ২৩ (৪) এর দফা (খ) ও (ছ) এর অধীন এবং ইপিজেড বিধি ২৩ (৪) অনুযায়ী বিধি ২৩ (১) এর দফা (খ), (ছ). (ঠ) ও (ড) এর অধীন অসদাচরণের জন্য বরখাস্ত করা হইলে তিনি কোন ক্ষতিপূরণ পাইবেন না।