উত্তরঃ শ্রম আইন এর ধারা ২৭ (৩) এবং ইপিজেড আইন এর বিধি ২৭(১) (২) অনুযায়ী,
কোন শ্রমিক বিনা নোটিশে অথবা বিনা অনুমতিতে ১০ দিনের অধিক কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকিলে মালিক উক্ত শ্রমিককে ১০ দিনের সময় প্রদান করিয়া এই সম্পর্কে ব্যাখ্যা প্রদান করিতে এবং চাকুরীতে পুনরায় যোগদানের জন্য নোটিশ প্রদান করিবেন এবং
এইরূপ ক্ষেত্রে উক্ত শ্রমিক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদান বা চাকুরীতে যোগদান না করিলে সংশ্লিষ্ট শ্রমিককে তাহার আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য আরো ৭দিন সময় প্রদান করিবেন।
তাহাতেও যদি সংশ্লিষ্ট শ্রমিক চাকুরীতে যোগদান অথবা আত্মপক্ষ সমর্থন না করেন তবে, উক্ত শ্রমিক অনুপস্থিতির দিন হইতে চাকুরি হইতে ইস্তফা দিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন।
ইপিজেড আইন এর বিধি ২৭(৩) অনুযায়ী,
কোনো শ্রমিককে ইস্তফা প্রদান করা হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইলে মালিক আইনের ধারা ২৩(৩) এর বিধান অনুযায়ী নোটিশের সমপরিমাণ অর্থ সমন্বয়পূর্বক আইনের ধারা ২৩(৪) এর বিধান অনুযায়ী প্রাপ্য ক্ষতিপূরণসহ অবশিষ্ট অর্থ শ্রমিককে প্রদান করিবেন।
ধারা ২৩(৩) এ বলা হয়েছে,
যেক্ষেত্রে শ্রমিক বিনা নোটিশে চাকরি হইতে ইস্তফা দিতে চাহেন সেক্ষেত্রে, তিনি উপ-ধারা (১) অথবা (২) এর অধীন প্রদেয় নোটিশের পরিবর্তে নোটিশ মেয়াদের জন্য মজুরির সমপরিমাণ অর্থ মালিককে প্রদান করিয়া ইহা করিতে পারিবেন।]
ধারা ২৩(৪) এ বলা হয়েছে,
(ক) যদি তিনি পাঁচ বৎসর বা তদূর্ধ্ব, কিন্তু দশ বৎসরের কম মেয়াদে অবিচ্ছিন্নভাবে মালিকের অধীন চাকরি করিয়া থাকেন তাহা হইলে, ১৫ (পনেরো) দিনের মজুরি;
(খ) যদি তিনি দশ বৎসর বা তদূর্ধ্ব সময় কিন্তু পঁচিশ বছরের কম সময় মালিকের অধীনে অবিচ্ছিন্নভাবে চাকরি করিয়া থাকেন তাহা হইলে, ৩০ (ত্রিশ) দিনের মজুরি।
কিন্তু শ্রম আইনে বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিতির জন্য চাকুরি হইতে ইস্তফা দিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইলে নোটিশের সমপরিমাণ অর্থ সমন্বয় করার কথা স্পষ্ট করে বলা না থাকার কারনে চুড়ান্ত নিষ্পত্তিকরন এর সময় নোটিশ এর টাকা সমন্বয় করা হলে Auditor গন এমনকি সরকারি সংস্থা কর্তৃক আপত্তির সম্মুখীন হতে হয় । অথচ ইপিজেড আইন এর বিধি ২৭(৩) স্পষ্ট করে সমন্বয় করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।