উত্তরঃ
বাংলাদেশ শ্রম আইন ধারা ৯৩(১) ও ইপিজেড বিধি ৬৩(১)
সাধারণত ২৫ (পঁচিশ) জনের অধিক শ্রমিক নিযুক্ত থাকেন এইরূপ প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকগণ যাহাতে তাহাদের সঙ্গে আনীত খাবার খাইতে এবং বিশ্রাম করিতে পারেন সেই জন্য পান করিবার পানির ব্যবস্থাসহ প্রয়োজনীয় সংখ্যক উপযুক্ত খাবার কক্ষের ব্যবস্থাকরণ এবং রক্ষণাবেক্ষণ করিতে হইবে:
যদি ও ইপিজেড বিধি বা আইনে খাবার কক্ষ এর জন্য নির্দিষ্ট কত জন শ্রমিক প্রয়োজন উল্লেখ করা হয়নাই । যেখানে বলা হয়েছে প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক।
আরো শর্ত থাকে যে, যে প্রতিষ্ঠানে কোনো খাবার কক্ষ বিদ্যমান রহিয়াছে সেইখানে শ্রমিকগণ তাহার কর্ম-কক্ষে বসিয়া কোনো খাবার খাইতে পারিবেন না।
শ্রম আইন এর ধারা ৯৩(১) , শ্রম বিধি ৯২ (ক , খ) এবং ইপিজেড বিধি ৬৩ (২) অনুযায়ী,
- খাবার কক্ষে একসঙ্গে সে সময়ে প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মোট শ্রমিকের অন্তত শতকরা
- নির্দিষ্ট স্থান সংকুলানে শ্রমিকদের সংখ্যানুযায়ী অভেদ্য উপরিতল বিশিষ্ট পর্যাপ্ত টেবিল চেয়ার বা বেঞ্চির ব্যবস্থা রাখিতে হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, মহাপরিদর্শক কোন বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনায় কোন প্রতিষ্ঠানে লিখিত নির্দেশ দ্বারা ভোজনকক্ষে একসঙ্গে শ্রমিকদের স্থান সংকুলানের শতকরা হার পরিবর্তন করিতে পারিবেন;
- তবে শর্ত থাকে যে, যেই প্রতিষ্ঠানে কোনো খাবার কক্ষ রহিয়াছে সেই প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক তাহার কর্মকক্ষে বসিয়া কোনো খাবার খাইতে পারিবেন না।
শ্রম আইন এর ধারা ৯৩(২) ও ইপিজেড বিধি ৬৩ (৩) অনুযায়ী,
খাবার কক্ষ যথেষ্ঠভাবে আলোকিত এবং বায়ু চলাচলের সুবিধাসহ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সহনীয় তাপমাত্রায় রক্ষণাবেক্ষণ করিতে হইবে।
শ্রম বিধি ৯২ (গ) ও ইপিজেড বিধি ৬৩ (৪) অনুযায়ী,
খাবার কক্ষের এবং সার্ভিস কাউন্টারের একটি অংশ মহিলা শ্রমিকদের সংখ্যানুপাতে তাহাদের জন্য পর্দা দ্বারা আলাদা করিয়া সংরক্ষিত রাখিতে হইবে।
শ্রম বিধি ৯৩ ও ইপিজেড বিধি ৬৩ (৫) অনুযায়ী,
খাবার কক্ষের নকশা, মান ও আকার মহাপরিদর্শক বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত পরিদর্শক কর্তৃক অনুমোদিত হইতে হইবে।
তবে শ্রম বিধি ৮৭(১) এবং ইপিজেড বিধি ৫৮(১) অনুযায়ী,
ক্যান্টিন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মোট শ্রমিকের শতকরা ২০ (বিশ) জনের খাবার গ্রহণের স্থান সুবিধা সম্বলিত হইলে ধারা ৯৩ মোতাবেক পৃথকভাবে খাবার কক্ষের প্রয়োজন হইবে না।: