উত্তরঃ পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃ কপরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র গ্রহণ সংক্রান্ত গণবিজ্ঞপ্তি , ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২২ এর মাধ্যমে এ সংক্রান্ত একটি গন বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয় যেখানে বিষয়টি আরো স্পষ্ট আকারে তুলে ধরা হয়েছে।
বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ (সংশোধন) আইন, ২০১০ এর ১২ ধারা মোতাবেক পরিবেশগত ছাড়পত্র ব্যতিরেকে কোন এলাকায় কোন শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন বা প্রকল্প গ্রহণ করা যাবে না। পরিবেশ সংরক্ষন বিধিমালা ১৯৯৭ , অনুযায়ী
সবুজ শ্রেণিভূক্ত শিল্প প্রতিষ্ঠান বা প্রকল্পের ক্ষেত্রে সরাসরি পরিবেশগত ছাড়পত্র প্রদান কর হয়।
কিন্তু কমলা-ক, কমলা-খ ও লাল শ্রেণিভূক্ত শিল্প প্রতিষ্ঠান বা প্রকল্প স্থাপনের পূর্বে প্রথমে অবস্থানগত ছাড়পত্র এবং শিল্প প্রতিষ্ঠান চালু বা প্রকল্পের কার্যক্রম শুরুর পূর্বে পরিবেশগত ছাড়পত্র গ্রহণ করতে হয়। অর্থাৎ কমলা-ক, কমলা-খ ও লাল শ্রেণিভূক্ত শিল্প প্রতিষ্ঠান ০২ টি ছাড়পত্র ( অবস্থানগত এবং কার্যক্রম কার্যক্রম শুরুর পূর্বে পরিবেশগত ছাড়পত্র ) গ্রহন করতে হবে।
তবে, রপ্তানী প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (সরকারি/বেসরকারি) ও বিসিক শিল্প নগরীতে স্থাপিত শিল্প প্রতিষ্ঠান বা প্রকল্পের ক্ষেত্রে অবস্থানগত ছাড়পত্র গ্রহণের প্রয়োজন হবে না। এছাড়া পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা, ১৯৯৭ অনুযায়ী আবাসিক এলাকা। -কোন শিল্প প্রতিষ্ঠান বা প্রকল্প স্থাপন করা যাবে না।
এখানে আরেকেটি তথ্য জেনে রাখা দরকার যে , পরিবেশ ও বন মন্ত্রালয় কর্তৃক বুধবার , অক্টোবর ৩, ২০০৭ এ প্রকাশিত গেজেট এ কমলা-খ শ্রেনীর ক্রমিক নং ৬০ এ “পোষাক ও সোয়েটার প্রস্তুত “ বাতিল বা বিলুপ্ত করা হয় অর্থ্যাৎ “পোষাক ও সোয়েটার প্রস্তুত “ কমলা-খ শ্রেনী হওয়া সত্বেও শুধুমাত্র স্থাপনের পূর্বে প্রথমে অবস্থানগত ছাড়পত্র নিতে হবে কিন্তুু শিল্প প্রতিষ্ঠান চালু বা প্রকল্পের কার্যক্রম শুরুর পূর্বে পরিবেশগত ছাড়পত্র গ্রহণ করতে হবে না ।
.
.
.
পরিবেশ আইন , বিধি বা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রশ্ন ও উত্তরসমূহ – Menu তে ফিরে যেতে ক্লিক করুন
পরিবেশ আইন ও বিধি এবং যাবতীয় মুল – Menu তে ফিরে যেতে ক্লিক করুন
বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫
বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ (সংশোধন) আইন, ২০১০
বায়ুদূষন বিধি নিয়ন্ত্রন নীতিমালা ২০২২